খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে থাকা প্রকল্পের ফাইল তিনি বাসায় নিয়ে যান, এরপর আর মন্ত্রণালয়ে ফেরত আসেনি।
গতকাল সোমবার নগরীর জামালখানে চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি (সিআইইউ) ক্যাম্পাসে ‘পরিচ্ছন্নতা সচেতনতামূলক প্রচারাভিযান’ উদ্বোধনকালে মেয়র এ অভিযোগ করেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। সিআইইউ বিজনেস স্কুলের অধ্যাপক ড. মোসলেহ উদ্দিন চৌধুরী খালেদ নগর পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।
মেয়র শাহাদাত বলেন, “আমাদের তিনটি প্রকল্প এখনো এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ে ঝুলে আছে। অ্যাডভাইজার সাহেব ফাইল দেখে সেটি বাসায় নিয়ে যান। এরপর আর মন্ত্রণালয়ে পাওয়া যায়নি, স্বাক্ষরও হয়নি।’
হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা না পাওয়ায় ইউকে, জাপান ও কোরিয়ার প্রকল্পে কাজ করতে পারিনি। ৪০০ কোটি টাকার বাজেট নেমে ২৯৮ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। অথচ রাষ্ট্র সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠানকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি দিতে ব্যর্থ হয়েছে।’
চসিকের নানা সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “জলাবদ্ধতা চট্টগ্রামের বড় সংকট। অ্যাডভাইজারকে একাধিকবার বলেছি। তিনি বলেন, আগে জলাবদ্ধতা দূর করতে হবে। আমি ৫০–৬০ শতাংশ সমাধান করেছি, কিন্তু এখনো প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পাইনি।’
সিটি মেয়রের বক্তব্যের পর প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব বলেন, “সব মন্ত্রণালয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বাজেট নিয়ে আলোচনা করে। মূল্যস্ফীতির কারণে কম বরাদ্দ মিললেও সেটি গ্রহণ করে কাজ শুরু করা উচিত। এ বছর জলাবদ্ধতা নিরসনে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিআইইউর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম নুরুল আবসার। আরও বক্তব্য দেন ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য সৈয়দ মাহমুদুল হক, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোহাম্মদ নুরুল করিম, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা কমান্ডার ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী এবং দৈনিক আজাদীর সম্পাদক এম এ মালেক।