খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 1শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ১৩ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগর আংশিক) আসনে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। হাঁস প্রতীক নিয়ে রুমিন ফারহানা তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে (খেজুরগাছ প্রতীক) ৩৭,৫৬৮ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছেন।
সর্বমোট ১৫১টি কেন্দ্রে রুমিন ফারহানা ১,১৭,৪৯৫ ভোট অর্জন করেন, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোটের প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব ৭৯,৯২৭ ভোট পান। বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আবু বকর সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বেসরকারিভাবে রুমিন ফারহানাকে বিজয়ী ঘোষণা করেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪,৯৯,৪৪৮। এ আসনে ভোটগ্রহণের হার ছিল ৪৪.৮ শতাংশ।
| প্রার্থী নাম | প্রতীক | প্রাপ্ত ভোট | ভোটের ব্যবধান |
|---|---|---|---|
| রুমিন ফারহানা | হাঁস | ১,১৭,৪৯৫ | – |
| মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব | খেজুরগাছ | ৭৯,৯২৭ | ৩৭,৫৬৮ |
| অন্যান্য ৬ জন প্রার্থী | বিভিন্ন | ১২,০০০ (মোট আনুমানিক) | – |
ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নিবন্ধিত ছিলেন, কিন্তু নির্বাচনে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে ৮ জনের মধ্যে। জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা গত রোববার নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুমিন ফারহানা ও বিএনপি জোটের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব।
ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ায় সাধারণত শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করলেও কয়েকটি অঘটন ঘটেছে। একটি কেন্দ্রে দুই প্রার্থীর কর্মীদের মধ্যে সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যার কারণে ভোটগ্রহণ ৫ মিনিটের জন্য স্থগিত হয়। এছাড়া সরাইল উপজেলা সদরের কাচারিপাড়া এলাকার সৈয়দ সিরাজুল ইসলাম মিলনায়তন ভোটকেন্দ্রে সকাল ৮টার দিকে ২ নাম্বার বুথের পোলিং কর্মকর্তা মো. মুজাহিদুল ইসলাম (৪৮) অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মোটমাট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ আসনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে। রুমিন ফারহানার বিজয় প্রমাণ করেছে যে, নির্বাচনে জনগণের সমর্থন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীর শক্তিশালী প্রচারণা বড় ব্যবধানে ফলাফল প্রভাবিত করতে পারে।