খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট ২০২৫
কুমিল্লায় চারতলা একটি ভবনের ছাদে আপত্তিকর অবস্থায় প্রেমিক যুগলের ভিডিও ধারণ করায় সোহেল মিয়া (৩২) নামের এক দারোয়ানকে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা করা হয়েছে।
শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত ৯টায় চান্দিনা উপজেলা সদরের পল্লী বিদ্যুৎ রোডের একটি বাসায় ওই ঘটনা ঘটে। পরে সোমবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান
নিহত সোহেল মিয়া দেবীদ্বার উপজেলার সুলতপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর (গজারিয়া) গ্রামের ইমতিয়াজ মিয়ার ছেলে। তিনি চান্দিনা পল্লী বিদ্যুৎ রোডের ইসলাম ট্রেডার্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানে দারোয়ানের চাকরি করতেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই বাসার নিচতলায় ভাড়ায় বসবাস করে মাকসুদা আক্তার খুকি নামের এক নারী। তিনি স্থানীয় একটি প্রাইভেট হাসপাতালে সেবিকা হিসেবে কাজ করেন। বড় বোন রত্না বেগম ও তার ছেলে আহাদ মিয়া (১৭) পার্শ্ববর্তী কোরপাই সাদাত জুট মিলের শ্রমিক। কাজের সুবাদে ওই মিলের নারী শ্রমিক ফেরদৌসী আক্তারের (২০) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে আহাদ মিয়ার। শনিবার (১৬ আগস্ট) রাত ৮টায় প্রেমিকা ফেরদৌসীকে খালার বাসায় নিয়ে আসে আহাদ। খালা হাসপাতালে থাকায় বাসার ছাদে উঠে প্রেমে মগ্ন হয় প্রেমিক যুগল। এক পর্যায়ে দারোয়ান সোহেল বাসার ছাদে উঠে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। এ সময় প্রেমিক যুগলের সঙ্গে সোহেল মিয়ার ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে সোহেলকে ছাদ থেকে ফেলে দেয় প্রেমিক যুগল। গুরুতর আহতাবস্থায় তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাজধানীর পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়া হয়। সোমবার সকালে মৃত্যু ঘটে তার।
এ বিষয়ে চান্দিনা থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, শনিবার রাতে এ ঘটনার পর আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি। তখন আহতের পরিবার জানায়, চিকিৎসা কাজ শেষ করে থানায় অভিযোগ করবে। সোমবার সকালে আহত যুবকের মৃত্যুর পর আমরা যোগাযোগ করার পর নিহতের মা জানিয়েছেন তারা মামলা করবে না।
খবরওয়ালা/এফএস