খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি ২০২৬
নবম প্রেসিডেন্ট কাপ ফেন্সিং প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী হ্যান্ডবল স্টেডিয়ামে, যেখানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ আনসার যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। সোমবার শেষ হওয়া এই প্রতিযোগিতায় দুই প্রতিষ্ঠান সমানভাবে ৬টি করে সোনা, ৫টি করে রুপা এবং ৬টি করে ব্রোঞ্জ পদক জিতে প্রথম স্থান অর্জন করে।
রানার্স-আপ হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, যারা ১টি সোনা, ১টি রুপা ও ৮টি ব্রোঞ্জ পদক জিতে সম্মানজনক দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে।
পুরুষ ও নারী বিভাগে ফেন্সিংয়ের তিনটি প্রধান শাখা — ফয়েল, ইপি এবং সেবার — অনুযায়ী বিজয়ীরা নিচের তালিকায় দেওয়া হলো:
| বিভাগ | পুরুষ সোনা বিজয়ী | নারী সোনা বিজয়ী |
|---|---|---|
| ফয়েল একক | মমিনুর রহমান (সেনাবাহিনী) | তানজিলা আক্তার স্বপ্না (নৌবাহিনী) |
| ইপি একক | হাসান আলী (নৌবাহিনী) | রাবেয়া আক্তার (আনসার) |
| সেবার একক | মোহাম্মদ কামরুজ্জামান (আনসার) | মাহবুবা খাতুন (আনসার) |
দলগত ইভেন্টেও নৌবাহিনী ও আনসারকে দেখা গেছে শীর্ষে।
| ইভেন্ট | সোনা বিজয়ী দল | প্রধান খেলোয়াড়রা |
|---|---|---|
| পুরুষ ইপি দলগত | নৌবাহিনী | হাসান আলী, গোপাল চন্দ্র দাস, ফারুক হোসেন, রাফি বাবু |
| পুরুষ সেবার দলগত | আনসার ও নৌবাহিনী (যুগ্ম) | আনসার: ইফতেখারুল আলম বিপুল, হাসান, মো. কামরুজ্জামান, রাসেল মিয়া নৌবাহিনী: মো. আল আমিন, মো. সাদ্দাম মুজিব, গোলাম নবী, হর গোবিন্দ রায় |
| পুরুষ ফয়েল দলগত | আনসার | মো. রিয়াজ আহমেদ, মো. মনির হোসেন, হাসান মিয়া, মো. নেফাউর রহমান |
| নারী ফয়েল দলগত | নৌবাহিনী | শেখ মাহমুদা ইমু, নাজনীন সুলতানা সুবর্ণা, সানজিদা, তানজিলা আক্তার স্বপ্না |
| নারী সেবার দলগত | নৌবাহিনী | ফাতেমা মুজিব, চাঁদনী আক্তার, ফারজানা ইয়াসমিন নিপা, প্রিয়াঙ্কা সিকদার |
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সেলিম ফকির, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহী পরিচালক দৌলুতজ্জামান খান, আকিজ বশির গ্রুপের পরিচালক শেখ রাহি মোহাম্মদ আসিফ, এবং বাংলাদেশ ফেন্সিং ফেডারেশনের সভাপতি মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক বসুনিয়া এম আশিকুল ইসলাম। বিজয়ীদের হাতে পদক ও ট্রফি তুলে দেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব।
উল্লেখ্য, এই প্রতিযোগিতা দেশের ফেন্সিং খেলোয়াড়দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ, যেখানে সামরিক ও সশস্ত্র বাহিনীর খেলোয়াড়রা একত্রিত হয়ে দক্ষতা প্রদর্শন করে। বিশেষ করে নৌবাহিনী ও আনসারের যুগ্ম জয় থেকে এই দুই প্রতিষ্ঠানকে সমানভাবে প্রশংসিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে।