খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের টাফ্টস বিশ্ববিদ্যালয়ের এক তুর্কি ডক্টরেট শিক্ষার্থীকে মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় গ্রেপ্তার করেছে দেশটির হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের এজেন্টরা। পরে তার ভিসাও বাতিল করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। তবে তুর্কি ওই শিক্ষার্থীকে আটকের বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি তারা।
বুধবার (২৬ মার্চ) এ তথ্য জানিয়েছেন বোস্টনের ফেডারেল আদালতের আইনজীবী মাহসা খানবাবাই। খবর এবিসি নিউজের
রয়টার্সের আরেক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রুমেইসা ওজতুর্ককে (তুর্কি শিক্ষার্থী) মঙ্গলবার রাতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন গ্রেপ্তার করে। তিনি ফিলিস্তিনিপন্থী বিক্ষোভে জড়িত ছিলেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের এ ধরনের পদক্ষেপকে বাকস্বাধীনতার ওপর আক্রমণ হিসেবে নিন্দা করে আসছেন অনেকে। তবে, ট্রাম্প প্রশাসনের যুক্তি বিক্ষোভকারীরা মার্কিন বৈদেশিক নীতিকে ক্ষুণ্ন করতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের মুখপাত্র ট্রিসিয়া ম্যাকলাফলিন এক পোস্টে বলেছেন, ওজতুর্ক ‘বিদেশি সংগঠন হামাসের সমর্থন’ তৎপরতায় জড়িত ছিলেন।
ম্যাকলাফলিন বলেন, ‘ভিসা একটি বিশেষাধিকার, অধিকার নয়।’
গ্রেপ্তারের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মুখোশধারী ও সাদা পোশাকের এজেন্টরা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ম্যাসাচুসেটসের সমারভিলে ৩০ বছর বয়সী তুর্কি নাগরিককে তার বাড়ির কাছ থেকে হেফাজতে নিয়ে যাচ্ছে।
ওজতুর্ককে গ্রেপ্তারের পরে খানবাবাই মঙ্গলবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় বলা হয়েছে, ওজতুর্ককে অবৈধভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।।
ওজতুর্কের আইনজীবী মাহসা খানবাবাইয়ের মতে, তিনি বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার করতে যাচ্ছিলেন।
তিনি বলেন, ‘দেশজুড়ে আমরা যে নমুনা দেখছি, তাতে তার বাকস্বাধীনতা চর্চাই গ্রেপ্তারের মূল কারণ বলে মনে হচ্ছে।’
টাফটসের প্রেসিডেন্ট সুনীল কুমার এক বিবৃতিতে বলেছেন, গ্রেপ্তারের বিষয়ে তাদের কাছে আগাম কোনো বার্তা ছিল না। এ ধরনের ঘটনা আমাদের আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বিরক্তিকর হতে পারে।
খবরওয়ালা/টিএ