খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিন অথরিটি (পিএ) এবং ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শান্তি প্রচেষ্টায় বিঘ্ন ঘটানোর দায়ে তাদের এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কর্মকর্তারা এখন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ফিলিস্তিন অথরিটি এবং ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং শান্তি প্রচেষ্টাকে ক্ষুণ্ন করেছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা স্বার্থ বিবেচনায় এই নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’
আরও বলা হয়, ‘পিএ এবং পিএলও ১৯৮৯ সালের পিএলও আইন এবং ২০০২ সালের মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রতিশ্রুতি আইন অনুসরণ করেনি। এর মধ্যে রয়েছে দখলদার ইসরায়েলের অপকর্মের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতের মুখোমুখি করার প্রচেষ্টা, কথিত সন্ত্রাসবাদে সমর্থন এবং সন্ত্রাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের অর্থ সহায়তা দেওয়া।’
এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা এমন সময়ে এলো যখন আগামী সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন বসতে যাচ্ছে, যেখানে প্রতিবছর ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা অংশ নিয়ে থাকেন। তবে এবার নিষেধাজ্ঞার কারণে ফিলিস্তিনের উপস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কোন কোন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে তা প্রকাশ করেনি যুক্তরাষ্ট্র, ফলে প্রভাব কতটা পড়বে তা স্পষ্ট নয়।
প্রসঙ্গত, এবারের অধিবেশনের আগেই ইউরোপের একাধিক দেশ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এমন সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তকে কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস মূলত পশ্চিম তীরে ক্ষমতা চর্চা করেন, যেখানে প্রায় ৩০ লাখ ফিলিস্তিনি বসবাস করেন। পাশাপাশি সেখানে জোরপূর্বক গড়ে ওঠা বসতিতে প্রায় ৫ লাখ ইসরায়েলিও অবস্থান করছে। অপরদিকে গাজা ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণ করছে ইসলামপন্থী সংগঠন হামাস।
সূত্র: রয়টার্স
খবরওয়ালা/এসআই