খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
ফেনী জেলার ফতেহপুর এলাকায় রেললাইনের পাশে ঝোপের মধ্যে এক কোর্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তি হলেন ফেনী জেলা জজ আদালতের সেরেস্তাদার এনামুল হক। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে ফেনী মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
স্থানীয়রা জানায়, সোমবার সকালে ফতেহপুর ওভারব্রিজ রেললাইনের পাশে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে তারা পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এনামুল হক স্থানীয়ভাবে ভদ্র ও পরিশ্রমী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
পরিবার ও প্রতিবেশীদের তথ্য অনুযায়ী, এনামুল হক ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা গ্রামের মৃত ফজলুল হকের ছেলে। বর্তমানে তিনি তার পরিবারসহ শহরের বারাহিপুর এলাকার মোমেনা ম্যানশনে ভাড়া বাসায় থাকতেন। নিহতের স্বজনদের দাবি, সোমবার সকাল ৭টার দিকে এনামুল হক বাসা থেকে বের হন। কিছুক্ষণ পরে, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তারা সংবাদ পান যে এনামুল হকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা মরদেহ শনাক্ত করেন।
স্বজনরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে এনামুল হককে হত্যার পর লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তারা আশাপ্রকাশ করেন, এই ঘটনার সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়া হবে।
ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফৌওজুল আজিম কালবেলাকে জানান, “পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্ত করেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
| তথ্যসূচক | বিবরণ |
|---|---|
| নাম | এনামুল হক |
| পেশা | কোর্টের সেরেস্তাদার |
| গ্রাম/উপজেলা | মাথিয়ারা গ্রাম, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন, ফেনী সদর |
| বসবাস | বারাহিপুর, ফেনী (মোমেনা ম্যানশন) |
| পরিবারের তথ্য | স্ত্রী ও সন্তানসহ |
| মৃত্যুর সময় | ২২ ডিসেম্বর, সকাল ~১১টা |
| মৃত্যুস্থান | ফতেহপুর রেললাইনের পাশে, ঝোপের মধ্যে |
এ ঘটনায় স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন ও আতঙ্কিত। ফেনী পুলিশ লাশ উদ্ধার ও প্রাথমিক তদন্তের পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং হত্যার সম্ভাব্য পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।