খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১২ আগস্ট ২০২৫
বাংলাদেশ থেকে পাটজাত আরও কিছু পণ্যের আমদানি সীমান্তপথে নিষিদ্ধ করেছে ভারত।
সোমবার (১১ আগস্ট) ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফটি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
নতুন নিষেধাজ্ঞার তালিকায় যুক্ত হয়েছে ব্লিচ ও আনব্লিচ বোনা পাট বা অন্যান্য উদ্ভিদজাত আঁশের কাপড়, পাটের সুতা, দড়ি ও রশি, এবং পাটের বস্তা ও ব্যাগ। তবে এসব পণ্য মহারাষ্ট্রের নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতের কোনো সীমান্তবর্তী স্থলবন্দর দিয়ে এসব পণ্য প্রবেশ করতে পারবে না।
এর আগে গত ২৭ জুন প্রথম ধাপে ভারত বাংলাদেশ থেকে কিছু পাটজাত পণ্য ও বোনা কাপড়ের আমদানি সব স্থলপথে নিষিদ্ধ করে। তখনও নাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে এসব পণ্য আনার অনুমতি ছিল। ওই তালিকায় ছিল পাটজাত পণ্য, ফ্ল্যাক্স টো ও বর্জ্য, পাট ও অন্যান্য আঁশজাত ফাইবার, একগুণ বা একাধিক গুণে মোড়ানো পাটের সুতা এবং আনব্লিচ বোনা পাটের কাপড়।
চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসেও ভারত বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিতে একই ধরনের সীমাবদ্ধতা আরোপ করে। ১৭ মে তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্যের আমদানিতে বন্দর-সীমাবদ্ধতা আনে। এর আগে ৯ এপ্রিল বাংলাদেশকে দেওয়া ট্রানশিপমেন্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে নেয়, যা কেবল নেপাল ও ভুটানের জন্য বহাল থাকে।
ভারতের এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মুহাম্মদ ইউনুসের চীন সফরে দেওয়া কিছু মন্তব্যের পর, যা নয়াদিল্লি নেতিবাচকভাবে নিয়েছিল। ভারতীয় রাজনৈতিক নেতারাও এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন।
পোশাক শিল্পে বাংলাদেশ ভারতের বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ছিল ১ হাজার ২৯০ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে ভারতের রপ্তানি ছিল ১ হাজার ১৪৬ কোটি ডলার এবং আমদানি মাত্র ২ কোটি ডলার।
খবরওয়ালা/আশ