খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বড় ধরনের সংঘাত এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত উপজেলার কাথরিয়া বাজারে দুই দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। স্থানীয়দের মতে, যুবদল কর্মী মোরশেদুল ইসলামের ওপর হামলার জের ধরেই এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
সাক্ষীরা জানান, জামায়াতের নেতাকর্মীরা বাজারের পশ্চিম পাশে এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা পূর্ব পাশে অবস্থান নিয়ে পাল্টাপাল্টি স্লোগান দেন। এ সময় পুলিশের একটি টিম দুই দলের মাঝখানে ব্যারিকেড দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখে। রাতের দিকে উভয় পক্ষের সিনিয়র নেতাদের হস্তক্ষেপে তারা সরে গেলেও এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এর আগে বিকাল ৪টার দিকে যুবদল কর্মী মোরশেদুল ইসলাম তার ফেসবুকে অভিযোগ করেন, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালিয়েছে। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি নেতাকর্মীরা বাজারে জড়ো হন।
অন্যদিকে জামায়াতের নেতাকর্মীরাও সেখানে অবস্থান নিতে শুরু করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বাজারের ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে দোকানপাট বন্ধ করে দেন। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
বাঁশখালী উপজেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল চৌধুরী বলেন, “জামায়াতের কয়েকজন নেতা ফেসবুকে বিএনপি নেতাদের নিয়ে কটূক্তি করেন। যুবদল নেতা মোরশেদ প্রতিবাদ জানালে তাকে আটক করে মারধর করা হয়। এই কারণেই আমাদের নেতাকর্মীরা রাস্তায় নেমে আসে।”
অন্যদিকে কাথরিয়া জামায়াতের আমির মাস্টার নুরুল কবির বলেন, “মোরশেদকে আটক বা মারধরের অভিযোগ মিথ্যা। বরং বিএনপি নেতাকর্মীরাই আমাদের ওপর বিনা উসকানিতে স্লোগান দেয়।”
বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এতে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সবাইকে শান্ত থাকতে এবং আইন নিজের হাতে না নিতে আহ্বান জানানো হয়েছে।”
খবরওয়ালা/আশ