খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
২০২৩ সালে, মাইসুন তার পরিবারকে নিয়ে দুবাই ভ্রমণ করেন। শপিং মলের মাঝে কেনাকাটা শেষে যখন তারা গাড়ির দিকে এগোচ্ছিলেন, পার্কিংয়ে তাদের সামনে এসে দাঁড়ান এক প্রবাসী কর্মী। এই কর্মী চট্টগ্রামের আনোয়ারার বাসিন্দা, এবং মাইসুনের ইংরেজি শিক্ষার ভিডিওর অগণিত ভক্ত। এমনকি তার সন্তানরা মাইসুনের ভিডিও দেখে ইংরেজি শিখত। মাইসুনের সঙ্গে দেখা পেয়ে তিনি এতটাই আনন্দিত হয়ে যান যে, সেলফি তোলার পর পরিবারের জন্য খাবারের প্রস্তাবও দেন।
যদিও মাইসুন সেটা বিনয়ের সঙ্গে ফিরিয়ে দেন, তবে কর্মী তাকে নিজের পকেট থেকে ১০ দিরহাম তুলে দেন, বললেন, “আপনি যদি এটা না নেন, তবে আমি খুব দুঃখিত হব।” এই আন্তরিক প্রস্তাব মাইসুন গ্রহণ করেন, এবং সেই ১০ দিরহাম এখনও তার কাছে একটি মূল্যবান স্মৃতি হয়ে আছে।
মাইসুন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ার সাঈদপাড়া এলাকার মেয়ে এবং বাংলাদেশ মহিলা সমিতি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। খুব কম বয়সেই তিনি আন্তর্জাতিক মহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তার ভিডিওগুলো ইংরেজি শেখানোর পাশাপাশি, তার ছোট ভাই জুবরানের চমকপ্রদ কীর্তিও দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। জুবরান তার ফেসবুক পেজ “জুবরান’স ওয়ার্ল্ড”-এ ৩ লাখ ফলোয়ার অর্জন করেছে।
বাংলাদেশে যেখানে অনেক শিশু ইংরেজি ভাষা শিখতে ভয় পায়, মাইসুন তার সহজ এবং আনন্দময় পদ্ধতির মাধ্যমে ইংরেজিকে এতটাই সহজ করে তুলেছেন, যেন তা ‘ডাল-ভাত’ এর মতোই স্বাভাবিক।