খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 11শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ২৬ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সাতক্ষীরার শ্যামনগর পৌরসভায় ওয়ার্ড কাউন্সিলর তালিকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সন্ধ্যায় পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির কাউন্সিল চলাকালে নকিপুর এইচসি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এতে সাবেক আহ্বায়কসহ কমপক্ষে ছয়জন আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন- পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী বাবু, দলীয় কর্মী আনোয়ার-উস-শাহাদাত মিঠু, আশরাফ বাবু, লিয়াকত আলীর জামাতা সাদিকুল ইসলাম তোহা, বেয়াই ডা. নজরুল ইসলাম এবং মহসীন কলেজ ছাত্রদলের সদস্য আশিক হোসেন।
পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শেখ লিয়াকত আলী বাবু অভিযোগ করেন, ‘আওয়ামী লীগের সভা-সমাবেশে অংশগ্রহণকারী এমনকি সাধারণ মানুষকেও বিভিন্ন ওয়ার্ডে কাউন্সিলর করা হয়েছে। আপত্তি জানানোর পর বলা হয়েছিল, তারা দলের সদস্য হলেও কাউন্সিলর হতে পারবে না। কিন্তু হঠাৎ নোটিশে কাউন্সিল ডেকে বিতর্কিতদের ভোটাধিকার দিলে আমরা প্রতিবাদ করি। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল ওয়াহেদ ও আশেক-ই এলাহী মুন্নার ইন্ধনে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়।’
তবে জেলা বিএনপির সদস্য আশেক-ই এলাহী মুন্না বলেন, ‘৮ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার তালিকায় সিরিয়াল ঠিক না থাকায় ভোটগ্রহণে সমস্যা হচ্ছিল। সেই সময় লিয়াকত আলী ও তার সমর্থকরা কক্ষে ঢুকে জাল ভোটের অভিযোগ তুলে ভোট বন্ধের দাবি তোলেন। তারা সভাপতি প্রার্থী আব্দুল গফ্ফার খান ঝুনুর ছেলে মোনাজাতকে মারধর করেন। এরপর ভোটকেন্দ্রের বাইরে ঝুনু খান ও মফিজুর খানের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।’
এ বিষয়ে শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ‘বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। পুলিশ দ্রুত গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে শনিবার বিকেল পর্যন্ত কেউ কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি।’
খবরওয়ালা/এন