খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৫
আগামী জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে বিএনপি একে একে দুইশ আটত্রিশটি আসনে তাদের একক প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে, এসব ঘোষিত প্রার্থীর কার্যক্রমের পর কিছু আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছে। বিভিন্ন আসনে বিদ্রোহী প্রার্থীদের প্রভাব, বিরোধী নেতাদের ক্ষোভ এবং দলীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার প্রয়াসের মধ্যে বিএনপি কিছু আসনে মনোনয়ন পুনঃবিবেচনার কথা ভাবছে।
বর্তমানে দলটি মনোনয়নবঞ্চিত এবং ত্যাগী নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রার্থীদের সম্পর্ক গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। যদি প্রার্থীরা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে ব্যর্থ হন এবং অন্যদের সঙ্গে একত্রিত হয়ে কাজ করতে না পারেন, তবে এসব আসনে প্রার্থী পরিবর্তন হতে পারে। দলটি বিশেষভাবে মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের ক্ষোভ প্রশমিত করতে এবং দলীয় ঐক্য বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে।
প্রাথমিকভাবে ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় অন্তত ২৩টি আসনে বিরোধ ও ক্ষোভ প্রকাশিত হয়েছে। এই আসনগুলোতে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীরা মাঠে কাজ করার পরিবর্তে বিভেদ সৃষ্টি করছেন, যার ফলে কয়েকজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার হুমকি দিয়েছেন। কিছু ক্ষেত্রে, দলীয় প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে বিক্ষোভও হয়েছে।
এছাড়া, ফাঁকা থাকা ৬৩ আসনের মধ্যে বেশিরভাগই মিত্রদের জন্য রাখা হতে পারে, এমন আলোচনা চলছে। চলতি মাসের শেষদিকে দলের চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মিত্র রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে।
তবে, প্রার্থী পরিবর্তন বা পুনঃবিবেচনা নিয়ে বিএনপির নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী শীঘ্রই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দলের উচ্চপদস্থ নেতারা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে দলের ভিতরের মতামত ও পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে মনোনয়ন তালিকায় পরিবর্তন আনা হবে।