খবরওয়ালা বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশ: 14শে আশ্বিন ১৪৩২ | ২৯ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
২০২৫ সালের এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতাটি ছিল নাটকীয়তা ও উদ্দীপনায় পরিপূর্ণ। শুরু থেকে খেলার মাঠে যেমন চিত্তাকর্ষক ম্যাচ দেখা গেছে, তেমনি মাঠের বাইরেও ছিল বিভিন্ন বিতর্ক। সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজ এই নিয়ে একটি বিস্তারিত সংবাদ পরিবেশন করেছে।
নিয়ম লঙ্ঘন ও আর্থিক দণ্ড:
ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট লড়াইগুলোতেই সর্বোচ্চ মাত্রার উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার পাশাপাশি দেখা গেছে শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং পাকিস্তানি দ্রুতগতির বোলার হারিস রউফকে তাদের ম্যাচ ফির ৩০ শতাংশ অর্থদণ্ড প্রদান করেছে। এছাড়াও, পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান সাহিবজাদা ফারহানকে একটি সতর্কবার্তা দেওয়া হয়। সূর্যকুমারের একটি মন্তব্যকে রাজনৈতিক ইঙ্গিতপূর্ণ বলে অভিযোগ করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। অন্যদিকে, রউফ ম্যাচে ‘প্লেন ক্র্যাশ’-এর মতো অঙ্গভঙ্গি করে শাস্তির সম্মুখীন হন। ফারহান ব্যাট দিয়ে বন্দুক চালানোর ভঙ্গি করে সমালোচিত হন।
করমর্দন নিয়ে জটিলতা:
গ্রুপ পর্ব এবং সুপার ফোরের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শেষে সূর্যকুমার পাকিস্তানি অধিনায়ক সালমান আগার সঙ্গে হাত মেলাতে রাজি হননি। এই বিষয়টি নিয়ে পিসিবি আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানায়। তারা এটিকে ক্রিকেটের নৈতিকতা বিরোধী বলে আখ্যায়িত করে। সংবাদে দাবি করা হয়, রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা এড়াতে ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট উভয় অধিনায়ককে করমর্দন না করার উপদেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকার কারণে এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।
প্ররোচনামূলক ভঙ্গি ও মন্তব্য:
সুপার ফোরে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে হারিস রউফ পুনরায় বিতর্কের জন্ম দেন। তিনি দর্শকদের উদ্দেশ্যে ‘৬-০’ এর মতো একটি ভঙ্গি প্রদর্শন করেন। এদিকে, ফারহান অর্ধ-শতক পূর্ণ করে বন্দুক চালানোর অঙ্গভঙ্গি করে নিন্দিত হন। অন্যদিকে, ভারতের প্রথম জয় অর্জনের পর সূর্যকুমার মন্তব্য করেন, এই জয়টি পেহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হলো। আইসিসি এই বক্তব্যটির তদন্ত করছে। পিসিবি এটিকে একটি রাজনৈতিক বার্তা হিসেবে অভিযোগ করেছে।
খবরওয়ালা/টিএসএন