খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩ নভেম্বর ২০২৫
বোসাসো বিমানবন্দরের একজন সিনিয়র পন্টল্যান্ড মেরিটাইম পুলিশ ফোর্স (PMPF) কমান্ডার জানিয়েছেন, দুই বছর ধরে এই বিমানগুলো ভারী সামরিক সরঞ্জাম নিয়ে অবিরত আসে। এসব সরবরাহকৃত পণ্য দ্রুত অন্য একটি স্ট্যান্ডবাই বিমানে তুলে দেওয়া হয়, যাতে তা সরাসরি সুদানে পাঠানো যায়। বিমানবন্দরগুলি বিশেষ সময়ে আসে এবং সরঞ্জাম তোলা হয় কঠোর পাহারায়।
ফ্লাইট ট্র্যাকিং ডেটা ও স্যাটেলাইট চিত্র অনুসারে, এসব বিমান সরাসরি ইউএই থেকে আসে। আমিরাতের এই চালানগুলোর মধ্যে চীনের তৈরি ড্রোনও রয়েছে। বসাসো বন্দরে গত দুই বছরে প্রায় ৫ লাখ সন্দেহজনক কনটেইনার খালাস করা হয়েছে। কনটেইনারের ভিতরের বস্তু সম্পর্কে কোনো বিবরণ নেই এবং এগুলো দ্রুত বিমানে বোঝাই করা হয়।
বোসাসোতে কিছু সুদৃঢ় সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যেখানে ইউএই কমান্ডার ও নিরাপত্তা কর্মীরা অবস্থান করছে। বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অন্য একটি শিবিরে সুদানের যুদ্ধে জড়িত কলাম্বিয়ান ভাড়াটে যোদ্ধারা অবস্থান করছে। এই শিবিরে একটি হাসপাতালও তৈরি করা হয়েছে, যেখানে সুদান থেকে আহত সৈন্যদের চিকিৎসা করা হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইউএই-এর ক্রমবর্ধমান কার্যক্রম এবং পন্টল্যান্ডের কৌশলগত অবস্থান এ অঞ্চলে আঞ্চলিক শক্তি প্রভাব বিস্তার এবং স্বর্ণ আহরণের জন্য এটি একটি আদর্শ ঘাঁটি বানিয়েছে। সোমালিয়ার সরকার যদিও প্রকাশ্যে কোনো আপত্তি জানাচ্ছে না, তবে এই কার্যকলাপ আঞ্চলিক এবং ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: দ্য মিডল ইস্ট আই