খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
একজন বাংলাদেশি নাগরিক নিরাপত্তার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে পারেন। এর জন্য অবশ্যই লাইসেন্স পেতে হবে। তা না হলে তার অস্ত্রটি অবৈধ বলে বিবেচিত হবে এবং এটি দেশের প্রচলিত আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক অধিশাখার জারি করা আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান, নবায়ন ও ব্যবহার নীতিমালা ২০১৬‑তে বলা হয়েছে, খুব সাধারণভাবে একজন ব্যক্তি অস্ত্রের লাইসেন্স পেতে চাইলে তাকে আগে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। এরপর তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদনের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সমর্থ হতে হবে। এ ছাড়া তার বয়স হতে হবে ৩০ থেকে ৭০ বছর। পাশাপাশি তাকে নির্দিষ্ট কিছু শর্তও পূরণ করতে হবে।
শর্তগুলোর মধ্যে প্রথমেই আসে লাইসেন্স পেতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে অবশ্যই ব্যক্তি শ্রেণির আয়করদাতা হতে হবে। শুধু করদাতা হলেই হবে না আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের জন্য আবেদনের আগের অন্তত ৩ বছর তাকে ধারাবাহিকভাবে আয়কর দিতে হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি যদি পিস্তল, রিভলভার বা রাইফেলের জন্য লাইসেন্স করতে চান সেক্ষেত্রে এই ৩ বছর তাকে ন্যূনতম ৩ লাখ টাকা এবং শটগানের জন্য ন্যূনতম ১ লাখ টাকা আয়কর দিতে হবে। লাইসেন্সের আবেদনের সময় তাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) একটি প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন করা ব্যক্তি যদি প্রবাসী বা দ্বৈত নাগরিক হন, সেক্ষেত্রে তাকে ৩ বছর ধারাবাহিকভাবে প্রতিবছর অন্তত ১২ লাখ টাকা রেমিট্যান্স পাঠাতে হবে। পাশাপাশি তিনি যে দেশে বাস করছেন, সে দেশে আয়কর দাখিলের প্রমাণপত্র সরবরাহ করতে হবে। এ ছাড়া রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রমাণস্বরূপ সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের প্রত্যয়নপত্রও লাইসেন্সের আবেদনের সঙ্গে জমা দিতে হবে।
খবরওয়ালা/এফএস