খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রাজস্থান রাজ্যের আজমের ও পুষ্কর এলাকায় ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ লেখা স্টিকার লাগানোর অভিযোগে দুই বৃটিশ পর্যটককে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) বিষয়টিকে গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করে জেলা পুলিশকে সতর্ক করে। এরপর অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুটি বিদেশি নাগরিক হলেন লুইস গ্যাব্রিয়েল ডি. এবং তার বান্ধবী অনুশি এমা ক্রিস্টিন। তারা পর্যটক ভিসায় ভারতে এসেছেন এবং পুষ্করে অবস্থান করছিলেন। ২১ জানুয়ারি গোয়েন্দা বিভাগ জানতে পারে যে, তারা জনসমাগমপূর্ণ স্থানে রাজনৈতিক বার্তাসংবলিত স্টিকার লাগাচ্ছেন। সিসিটিভি ফুটেজ এবং স্থানীয় সূত্রের তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের শনাক্ত করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজেশ মীনার নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, পর্যটক ভিসার মাধ্যমে ভারতে অবস্থান করলেও তারা রাজনৈতিক ও আদর্শিক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন, যা ভিসার শর্তের সরাসরি লঙ্ঘন। পরবর্তীতে জেলা পুলিশের সহায়তায় স্টিকারগুলো সরিয়ে ফেলা হয়। ইমিগ্রেশন ও ফরেনার্স অ্যাক্ট অনুযায়ী তাদের ভিসা বাতিল করা হয় এবং ‘লিভ ইন্ডিয়া নোটিস’ জারি করা হয়। এতে তারা অবিলম্বে দেশ ছাড়ার নির্দেশ পান। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনায় বিদেশি নাগরিকদের আটক করে বহিষ্কার প্রক্রিয়া শুরু করা হতে পারে এবং ভবিষ্যতে ভারতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা বা ব্ল্যাকলিস্ট হওয়ার ঝুঁকিও থাকে।
ভারত সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে পর্যটক ভিসায় ভারতে অবস্থানকালে কোনো ধরনের রাজনৈতিক, প্রতিবাদমূলক বা আদর্শিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
সিসিটিভি ফুটেজ এবং পুলিশের তথ্য বিশ্লেষণ অনুযায়ী ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| অভিযুক্ত | লুইস গ্যাব্রিয়েল ডি., অনুশি এমা ক্রিস্টিন |
| ভিসার ধরন | পর্যটক ভিসা |
| ঘটনার স্থান | আজমের ও পুষ্কর, রাজস্থান |
| অভিযোগ | ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’ স্টিকার লাগানো |
| তারিখ | ২১ জানুয়ারি ২০২৬ |
| পুলিশের পদক্ষেপ | জিজ্ঞাসাবাদ, স্টিকার অপসারণ, ভিসা বাতিল |
| আইনগত ব্যবস্থা | লিভ ইন্ডিয়া নোটিস, দেশ ছাড়ার নির্দেশ |
এদিকে, ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত রেউভেন আজার জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আগামী ফেব্রুয়ারিতে ইসরাইল সফরে যেতে পারেন। এই সফর বাস্তবায়িত হলে, তা এমন এক সময়ে হবে যখন পশ্চিম এশিয়ায় তীব্র ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন রয়েছে। এছাড়া, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে ভারত-ইসরাইল কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।