খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 20শে কার্তিক ১৪৩২ | ৪ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ২৩৭টি আসনে প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে। তবে তালিকায় দলের সিনিয়র আইনজীবী ও সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার নাম নেই। এ নিয়ে খোলামেলা মন্তব্য করেছেন তিনি।
সোমবার (৩ নভেম্বর) রাতে বেসরকারি টেলিভিশনের এক টকশোতে দলীয় মনোনয়ন না পাওয়া প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন রুমিন ফারহানা।
তিনি বলেন, আমার মনোনয়ন আপাতত ‘অন হোল্ড’ রয়েছে। বিএনপির দীর্ঘদিনের সহযোগী কয়েকটি দলের সঙ্গে জোটগত সমঝোতার কারণেই ৬৩টি আসনের ঘোষণা এখনো দেওয়া হয়নি। পাশাপাশি নতুন কিছু দলের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।
রুমিন ফারহানা আরও বলেন, গত ১২-১৫ বছর ধরে সুখে-দুঃখে যারা বিএনপির পাশে ছিল, তাদের সঙ্গে আসন ভাগাভাগির বিষয়ে আলোচনা অব্যাহত আছে। দল এমন প্রার্থীকে মনোনয়ন দিতে চায় যিনি আসনটি জেতার মতো সক্ষম (‘উইনেবল’)।
দলের কিছু নেতাকর্মীর বিক্ষোভ ও টায়ার পোড়ানোর ঘটনাকে প্রসঙ্গ করে তিনি বলেন, বড় দলে প্রার্থীর সংখ্যা অনেক হয়। অনেক আসনে ১০-১২ জন করে আবেদন করায় সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন। নেতাকর্মীদের আবেগকে সম্মান করা উচিত, মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। তবে এ পরিস্থিতি স্থায়ী নয়।
তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রার্থীদের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছেন এবং মনোনয়ন বণ্টনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করেছেন।
মনোনয়ন তালিকা সম্পর্কে সাবেক এই সংসদ সদস্য বলেন, এটি এখনো প্রাথমিক তালিকা। সময়ের সঙ্গে পরিবর্তন হতে পারে—কেউ বাদ পড়তে পারেন, আবার কেউ যুক্তও হতে পারেন। নির্বাচন কমিশনের কিছু আইনি জটিলতার কারণে কয়েকটি আসনের মনোনয়ন স্থগিত আছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বাগেরহাট-২ আসনের কথা উল্লেখ করেন।
নারী প্রার্থীর প্রসঙ্গে রুমিন ফারহানা বলেন, যদি বিএনপি নারী মনোনয়ন ৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করে, তাহলে চূড়ান্ত তালিকায় আরও নারী যুক্ত হওয়ার সুযোগ থাকবে।
তিনি আরও বলেন, কিছু আসনে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত দ্বন্দ্ব রয়েছে, যার রায় এখনো অপেক্ষমাণ। এসব কারণে সেসব আসনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। উদাহরণ হিসেবে তিনি বাগেরহাট-২ আসনের কথা উল্লেখ করে বলেন, যেখানে একজন নিশ্চিত প্রার্থীর মনোনয়ন শুধুমাত্র কমিশনের দ্বন্দ্বের কারণে আটকে আছে।
খবরওয়ালা/টিএসএন