খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ নিশ্চিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। এ প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশের ৪৯ জন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণ মন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী পদে নতুন নিয়োগ অনুমোদন করেছেন। এই প্রজ্ঞাপনের স্বাক্ষর করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, যা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অফিসিয়াল নথিতে সংরক্ষিত।
এদিন বিকেলে সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি উপস্থিত ছিলেন না; তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজে ও নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন। শপথ অনুষ্ঠানটি দেশের রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে গুরুত্বের সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে।
এবারের মন্ত্রিসভায় মন্ত্রণালয়গুলোতে বিভিন্ন ক্ষেত্রের দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পূর্ণ মন্ত্রীদের দায়িত্ব প্রধানত নীতি নির্ধারণ, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব প্রদানের। প্রতিমন্ত্রীরা সাধারণত বিশেষ ক্ষেত্রে সহযোগীতা ও প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত থাকবেন।
নিচের টেবিলে পূর্ণ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সংখ্যা বিস্তারিতভাবে দেখানো হলো:
| পদবী | সংখ্যা | মন্তব্য |
|---|---|---|
| পূর্ণ মন্ত্রী | ২৫ | নীতি নির্ধারণ ও প্রধান দায়িত্বে নিয়োজিত |
| প্রতিমন্ত্রী | ২৪ | প্রশাসনিক ও সহায়ক দায়িত্বে নিয়োজিত |
| মোট | ৪৯ | দেশের সকল মন্ত্রণালয়কে অন্তর্ভুক্ত |
মন্ত্রিসভা গঠনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা আগামী সরকারের নীতি ও পরিকল্পনাগুলো সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবেন। বিশেষ করে অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত ক্ষেত্রে এই নতুন মন্ত্রিসভার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সরকারি কর্মকর্তা, সংসদ সদস্য এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন। নতুন মন্ত্রিসভার কার্যক্রম আগামী দিনগুলোতে দেশের প্রশাসনিক কাঠামো ও নীতি বাস্তবায়নে নতুন দিক নির্দেশনা দিবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এ প্রজ্ঞাপন সরকারের কার্যকর নেতৃত্ব নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন সেক্টরে পরিকল্পিত উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখার সংকেত দিচ্ছে।