খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে দিনভর হামলা-সংঘর্ষে নিহত চারজনের দাফন ও সৎকার সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া নিহতদের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি না করেই ময়নাতদন্ত ছাড়াই তাদের দাফন করা হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে পোশাক ব্যবসায়ী দীপ্ত সাহা, টাইলস মিস্ত্রির সহকারী রমজান কাজী, মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সোহেল রানা এবং ক্রোকারিজ দোকানের কর্মচারী ইমন তালুকদার রয়েছেন। এদের মধ্যে দীপ্ত সাহাকে বুধবার (১৬ জুলাই) রাতে পৌর শ্মশানে সৎকার করা হয়। রমজান কাজীকে এশার নামাজের পর দাফন করা হয়, এবং সোহেল রানা ও ইমন তালুকদারকে বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকালে পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
গত বুধবার (১৬ জুলাই) গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক ও লঞ্চঘাট এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে চারজন নিহত হন এবং ৯ জন গুলিবিদ্ধসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হন।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থাপনা ও যানবাহনে অগ্নিসংযোগ এবং ভাঙচুর চালায়। সংঘর্ষের সময়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
নিহতদের পরিবার অভিযোগ করেছেন যে, তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন। হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, নিহতদের শরীরে গুলির চিহ্ন পাওয়া গেছে।
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক জীবিতেষ বিশ্বাস জানান, নিহত চারজনের মৃতদেহ হাসপাতালে এসেছে এবং গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, গুলিবিদ্ধ সুমন বিশ্বাস নামে এক যুবক সেখানে ভর্তি হয়েছেন। তিনি পেশায় গাড়িচালক। তার পেটে ও আঙুলে গুলি লেগেছে।
খবরওয়ালা/আরডি