অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 30শে আশ্বিন ১৪৩২ | ১৫ই অক্টোবর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় স্ত্রী বাড়িতে না আসায় শ্বশুরবাড়িতে হামলার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শ্বশুর, শাশুড়িসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার (১৫ অক্টোবর) সকালে ভুক্তভোগী পরিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, কালকিনি উপজেলার রমজানপুর ইউনিয়নের চরপালরদী গ্রামের আলমাছ মোল্লার মেয়ে আফছানার সঙ্গে একই গ্রামের হাফেজ প্যাদার ছেলে দুলাল প্যাদার বিয়ে হয় প্রায় আড়াই বছর আগে। বিয়ের কয়েক মাস পর দুলাল একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন। এরপর তার স্ত্রী আফছানা বাবার বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। পরে জামিনে বের হয়ে দুলাল স্ত্রীকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ করলেও আফছানা তাতে সাড়া দেননি।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মঙ্গলবার রাতে দুলাল প্যাদা তার লোকজন নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে যান স্ত্রীকে নিয়ে আসার উদ্দেশ্যে। তখন বাধা দিলে দুলাল প্যাদাসহ তার অনুসারীরা বাড়িতে হামলা চালায়। এতে শ্বশুর আলমাছ মোল্লা, নানা শ্বশুর সিরাজ ঘরামী, শাশুড়ি নাছিমা, স্ত্রী আফছানা ও স্ত্রীর বড় বোন আরিফা আক্তার তনুসহ অন্তত সাতজন আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
এই ঘটনায় আহত আলমাছ মোল্লা কালকিনি থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, ’আমার মেয়ের জামাই দুলাল প্যাদা প্রায় দুই বছর আগে জাল টাকা, দুইটি আগ্নেয়াস্ত্র ও ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ডিবি পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়। পরে আমি প্রায় ছয় লাখ টাকা দিয়ে তাকে জামিন করাই। দুলাল জামিনে এসে আমার টাকা না দিয়ে নানা প্রতারণা করে আসছে। এই ঘটনার পর আমার মেয়ে আমার বাড়িতে চলে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দুলাল প্যাদা তার লোকজন নিয়ে আমার মেয়েকে তুলে নেয়ার চেষ্টা চালায়। এ সময় তাদের হামলায় আমরা ৭ জন আহত হই।’
অভিযোগ সম্পর্কে জানতে অভিযুক্ত দুলাল প্যাদার মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে কালকিনি থানার ওসি কেএম সোহেল রানা বলেন, ’এই ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি, তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
খবরওয়ালা/শরিফ