খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ আল-আমিন (২৪) নামের এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ২ জুন ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার খাসেরচর এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জেলা কার্যালয়, মানিকগঞ্জ-এর উপপরিচালক হুমায়ুন কবির খন্দকারের (Humayun Kabir Khondakar) সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অভিযানটি পরিচালিত হয়। পরিদর্শক মো: সুমনুর রহমানের নেতৃত্বে ডিএনসি-এর একটি বিশেষ টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আনুমানিক দুপুর ০২:০০ ঘটিকায় সিংগাইর থানাধীন খাসেরচর এলাকায় অবস্থান নেয়। এ সময় সন্দেহভাজন আল-আমিনকে তল্লাশি করে তার হেফাজত থেকে ১০৫ পিস নিষিদ্ধ মাদক ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। অবৈধ মাদক রাখার অপরাধে তাকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে সিংগাইর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রেকর্ড অনুযায়ী গ্রেফতারকৃত আসামির বিস্তারিত তথ্য নিচে উল্লেখ করা হলো:
| ক্রমিক নং | আসামির নাম ও বয়স | পিতার নাম | স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা |
| ০১ | আল-আমিন (২৪ বছর) | মৃত মোহাম্মদ আলী | গ্রাম: খাসেরচর, থানা: সিংগাইর, জেলা: মানিকগঞ্জ |
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অধীনস্থ একটি অন্যতম প্রধান সংস্থা। দেশে অবৈধ মাদকের প্রবেশ রোধ, মাদক কারবারিদের গ্রেফতার এবং মাদকের অপব্যবহার ও চোরাচালান প্রতিরোধের লক্ষ্যে এই সংস্থাটি দেশব্যাপী নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ (সংশোধিত ২০২০) অনুযায়ী, বাংলাদেশে ইয়াবা (অ্যামফিটামিন) বা যেকোনো ধরনের মাদকদ্রব্য বহন, বিক্রয়, মজুত এবং পরিবহন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।
মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তারা জানান, যুবসমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে রক্ষা করতে এবং জেলাটিকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তাদের এই মাদকবিরোধী অভিযান চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় খাসেরচর এলাকার এই সফল অভিযানটি পরিচালিত হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় সোপর্দ করার পর বিধি মোতাবেক বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া সচল রয়েছে। জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে।