খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রেস ব্রিফিংয়ে নানা সময় উঠে এসেছে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ। শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর নির্বাচনসহ নানা ব্যাপারে কথা বলেছে মার্কিন প্রশাসন।
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ মঙ্গলবার (৮ জুলাই) প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারত ও বাংলাদেশ বিষয়ে কিছু প্রশ্ন তোলেন উপস্থিত এক সাংবাদিক। ব্রিফিংয়ে চার রাষ্ট্রের জোট কোয়াড এবং তার রেশ ধরে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন আসে।
ওই সাংবাদিক বলেন, গত সপ্তাহে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাগে বিমানবন্দরের চেকিংয়ে একটি বন্দুকের ম্যাগাজিন পাওয়া গেছে। ২০২৪ সালে দেশটিতে তৎকালীন সরকারবিরোধী আন্দোলনে ব্যবহৃত (অবৈধ) গোলাবারুদের সঙ্গে সেই ম্যাগজিনের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে অভিযোগ করছেন অনেকে।
এ পর্যায়ে সাংবাদিককে থামিয়ে দেন মার্কিন মুখপাত্র ব্রুস।
এরপরই ওই সাংবাদিক বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নিপীড়নের কিছু অভিযোগ তোলেন। গত সপ্তাহে রাজধানীর খিলক্ষেতে রেলওয়ের জমিতে গড়া পূজার মণ্ডপ গুঁড়িয়ে দেওয়ার তথ্য দেন। এছাড়া গত জুনে লালমনিরহাটে এক হিন্দু নাপিত আটকের ঘটনাটি সামনে আনেন।
পুরো প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চান ওই সাংবাদিক।
প্রশ্নকর্তার উত্থাপিত কোনো অভিযোগের সরাসরি উত্তর না দিয়ে ব্রুস বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের বিষয়টি একটি জটিল ও বিস্তারিত কূটনৈতিক প্রসঙ্গ। যুক্তরাষ্ট্র সেটা বুঝতে পারে।
এছাড়া, কোয়াড বৈঠক নিয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একক বিবৃতি এবং কোয়াড অংশীদারদের যৌথ বিবৃতি দেখার পরামর্শ দেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র কেবল নিজেদের অবস্থান নিয়ে কথা বলবে উল্লেখ করে ব্রুস বলেন, অন্য কোনো দেশ, যেমন- ভারতের বক্তব্য তারা ব্যাখ্যা বা মূল্যায়ন করবেন না।
খবরওয়ালা/এন