খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা, যেখানে বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। প্রতিযোগিতার প্রস্তুতি, ব্যক্তিগত চ্যালেঞ্জ এবং দেশের মানুষের ভালোবাসা—সব মিলিয়ে তাঁর জন্য এটি এক অনন্য অভিজ্ঞতা।
নীচের টেবিলে মিথিলার যাত্রার উল্লেখযোগ্য তথ্য তুলে ধরা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | তানজিয়া জামান মিথিলা |
| পেশা | মডেল ও অভিনেত্রী |
| অভিনয়ে অভিষেক | ২০১৯—‘রোহিঙ্গা’ |
| উল্লেখযোগ্য অর্জন | ফেস অব বাংলাদেশ (২০১৯), ফেস অব এশিয়া (২০১৯) |
| মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ | ২০২০, ২০২৫ |
| মূল প্রতিযোগিতার স্থান | থাইল্যান্ড (ব্যাংকক ও পাতায়া) |
| পিপলস চয়েস ভোট | আজ শেষ দিন |
| চূড়ান্ত ফল ঘোষণা | ২১ নভেম্বর |
প্রাথমিকভাবে র্যাম্প মডেল হিসেবে পথচলা শুরু হলেও ২০১৯ সালে অভিনয়ে আসার পর তাঁর পরিচিতি আরও বাড়ে। একই বছর দুটি আন্তর্জাতিক মুকুট জেতার পর ২০২০ সালে পান মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশের খেতাব। তবে কোভিড পরিস্থিতি ও সময়স্বল্পতার কারণে সেবার মূল প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া হয়নি।
দীর্ঘ প্রস্তুতি ও অপেক্ষার পর চলতি বছর আবারও মুকুট জিতে ২ নভেম্বর থাইল্যান্ডের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। ঢাকা ছাড়ার সময় পরিবার ও বন্ধুদের উৎসাহ তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। মিথিলার ভাষায়, দেশের মানুষ যে এভাবে পাশে দাঁড়াবে—তা তিনি কল্পনা করেননি।
মিস ইউনিভার্স ক্যাম্পে দুই সপ্তাহের অভিজ্ঞতা তাঁকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছে। সময় ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা, যোগাযোগ দক্ষতা—প্রতিটি ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন দেশের মেয়েদের সঙ্গে বন্ধুত্বও তাঁর শেখার পরিসরকে আরও বড় করেছে।
পিপলস চয়েসে বাংলাদেশের অবস্থান একসময় এক নম্বরে উঠে এসেছিল; এখন রয়েছে দুই নম্বরে। ভোটিং যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ—তা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মিথিলা বলেন, চাইলে বাংলাদেশ আবার শীর্ষে ফিরতে পারে। আজই ভোট দেওয়ার শেষ সুযোগ, আর এক নম্বরে থাকলে তিনি সরাসরি সেরা ৩০–এ জায়গা পাবেন। মিস ইউনিভার্স অ্যাপে গিয়ে বাংলাদেশ নির্বাচন করে ‘গেট ভোট’ বেছে নিতে হবে, এরপর তানজিয়া জামান মিথিলার নাম সিলেক্ট করে বিজ্ঞাপন দেখলে অতিরিক্ত ভোট যোগ হয়।
২১ নভেম্বর চূড়ান্ত ফল প্রকাশ পাবে। মিথিলা জানালেন, ফল যাই হোক—দেশের মানুষের ভালোবাসাই তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন। আর যদি তিনি জয়ী হন, তবে ক্ষুধামুক্তির লক্ষ্যে কাজ করাই হবে তাঁর প্রথম অঙ্গীকার। ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে যুক্ত থাকা মিথিলা বিশ্বাস করেন—পরিবর্তন শুরু হয় নিজের দেশ থেকেই।