খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 21শে কার্তিক ১৪৩২ | ৫ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মুন্সিগঞ্জ সদর থেকে অটোরিকশা চালক মোহাম্মদ মজিবল মাঝির (নিহত) হাত-পা বাঁধা ও কম্বল দিয়ে পেঁচানো মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে গ্রেফতার করেছে।
গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন— সোহাগ মোল্লা (৪৩), জয় (৩১), ইমরান (৩০), হারুন (৫১) এবং আলী হোসেন (৪০)। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডটি মূলত অটোরিকশা লুটের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়েছিল।
নিহত মজিবল মাঝি বরিশালের হিজলা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি মুন্সিগঞ্জ সদরের রামপাল ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে অটোরিকশা চালাতেন।
৩১ অক্টোবর বিকেলে মাওয়া যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। ৩ নভেম্বর সকালে পঞ্চসার ইউনিয়নের রতনপুর আনসার ক্যাম্পের পাশের এক ডোবায় তার মরদেহ হাত-পা বাঁধা ও কম্বল পেঁচানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা স্বীকার করেছে, তারা মজিবলকে মাওয়া যাওয়ার কথা বলে পঞ্চসার ইউনিয়নের বানিক্যপাড়ার একটি বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে তাকে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাইয়ে অচেতন করে ধারালো কেচি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং হাত-পা বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহটি কম্বল ও চাদরে পেঁচিয়ে অটোরিকশায় করে ডোবায় ফেলে দেয় তারা।
হত্যার পর গ্রেফতারকৃতরা নিহতের অটোরিকশা বিক্রি করে দেয়। পুলিশ তাদের কাছ থেকে নিহতের মোবাইল ফোন ও অটোরিকশা উদ্ধার করেছে।
মুন্সিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবাইকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত এখনো চলছে।