খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
মুন্সীগঞ্জ সদর থানাধীন মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের আমগাটা গ্রাম থেকে ককটেলসহ সাত (৭) জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এই অভিযানে চার বালতি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক এবং বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে সদর থানা পুলিশ মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের মো. পিন্টুর হাতে তৈরি ককটেল বোমার কারখানাটি আবিষ্কার করে। মো. পিন্টু খানের পিতার নাম জয়নাল খান।
গ্রেপ্তারকৃত অন্যরা হলেন: সোহাগ (পিতা হোসেন খান), আলমগীর (পিতা অজানা, আমঘাটা খালাসী বাড়ির জামাই), এবং আমির খালাসী (পিতা শওকত খালাসী), ককটেলসহ তাদের ধরা হয়। এছাড়াও, মো. বিপ্লব খান (পিতা বাদল খান) এবং মো. টিটু শিকদার ওরফে কোয়া টিটু (পিতা শাহাবুদ্দিন শিকদার) ঘর থেকে বেরিয়ে পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যান।
স্থানীয় বিএনপি এবং বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের কয়েকজন নেতা দাবি করেন, ধৃতদের মধ্যে পিন্টু খান ৫ আগস্টের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে ছিলেন। অথচ, অদৃশ্য ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ইঙ্গিতে পিন্টু খানকে ছাড়িয়ে নেবার প্রচেষ্টা চলছে।
আটকের সংবাদটি নিশ্চিত করে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম সাইফুল আলম বুধবার রাতে জানান যে, একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে চারটি বালতিতে রাখা ১৪টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। পাশেই অপর একটি বাড়িতে পাঁচজন ব্যক্তিকে ইয়াবা ও মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়েছে। তবে, আটককৃতদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা দায়েরের খবর তিনি পাননি। বিস্তারিত যাচাই-বাছাই চলছে।
প্রশ্নের উত্তরে তিনি আরও জানান, মুন্সীগঞ্জে ছাত্রলীগ বা যুবলীগের কেউ বর্তমানে নেই। সবাই পালিয়ে ঢাকায় অবস্থান করছেন। কেউ থাকলে অবশ্যই পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করত। কাউকে ছাড়িয়ে নেওয়ার কোনো প্রচেষ্টা তার জানা নেই বলেও তিনি জানান।
খবরওয়ালা/টিএসএন