খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫
রাজধানীতে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ভোর ৫টা থেকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত বিশেষ নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় পুলিশ, ডিবি, সিটিটিসিসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা মাঠে থাকবেন। মঙ্গলবার রাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট ও টহল বাড়ানো হয়েছে। এর আগে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশনা পাঠানো হয়।
তেজগাঁও বিভাগের ডিসি ইবনে মিজান জানান, প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টা টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম থাকলেও ভোরের সাড়ে তিন ঘণ্টাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ, টানা পার্টি, ছিনতাইকারী ও নাশকতাকারীরা সাধারণত এই সময় সক্রিয় হয়।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আরেক কর্মকর্তা বলেন, রাজধানীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও নৈরাজ্য ঠেকাতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একটি পক্ষ গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে; তাদের ওপর নজর রাখা হচ্ছে।
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাইকারীর দৌরাত্ম্য বেড়েছে। যাত্রাবাড়ীর কাজলা পেট্রোল পাম্প এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে জটে আটকে পড়া যানবাহনের যাত্রী ও চালকরা প্রায়ই ছিনতাইয়ের শিকার হচ্ছেন। কোথাও কোথাও রাস্তায় বাতি নষ্ট থাকায় অপরাধীরা সুবিধা নিচ্ছে।
রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম বলেন, অপরাধীদের নির্বিঘ্ন চলাচল রুখতে বাড়তি নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে। টহল ও চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনে অবহেলা পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কিশোর গ্যাং ও সংঘবদ্ধ চক্র প্রকাশ্যে অস্ত্র দেখিয়ে ছিনতাই করছে। রাতের শেষভাগে পুলিশের টহল কম থাকায় অপরাধ আরও বেড়ে যাচ্ছে। অপরাধপ্রবণ এলাকা ও অপরাধী নেটওয়ার্ক ভাঙার তৎপরতায়ও ঘাটতি রয়েছে।
সূত্র জানায়, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি ও হাজারীবাগ এলাকার অপরাধীদের বড় অংশ শীর্ষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে যুক্ত। তাদের অনেকেই সম্প্রতি জামিনে ছাড়া পেয়েছে। গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী ও আশপাশের এলাকায় সক্রিয় পেশাদার ছিনতাইকারী চক্রের পাশাপাশি উত্তরার দিকে কিশোর অপরাধীদের তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে।
খবরওয়ালা/এমএজেড