খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
বাংলাদেশ বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, আমি নিজে ১৫ দিন পর পর ঢাকার কেরানীগঞ্জ জেলে হাজির হই। আমার ছোট ভাই সিনিয়র সচিব হিসেবে ৫ বছর আগে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। তাকে চারটি খুনের মামলা দেওয়া হয়েছে। একটা জামিন হলে আরেকটা মামলা।
গত ৫৪ বছরে রাষ্ট্র যে সমস্ত চৌকস, প্রজ্ঞাবান, সৎ ও নিষ্ঠাবান আমলা জন্ম দিয়েছে, সম্ভবত হাতে গোনা কয়েকজনের নাম নিলে তিনি থাকবেন। শুধুমাত্র হাসিনার সময়কালে চাকরিতে থাকার কারণের পেশাগত একটা হিংসা-প্রতিহিংসা চরিতার্থ করবার জন্য এসব মামলা দিয়েছে।
তিনি বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে সরকারের ৫ বছর আগে থেকে রেজিমের কোনো সম্পর্কই নেই, দুদকে যাওয়ার পরে একজন আমলা তার বিরুদ্ধে চারটে মামলা দিয়েছেন, যে মামলার সঙ্গে তার দূরবর্তী কোনো সম্পর্ক নাই। তা আমি প্রতি ১৫ দিন পর পর যাই।
আমি ফাস্ট ব্লাড, তাই দেখতে যেতে হয়। কারণ আমার ভাইয়ের মেয়েটা লন্ডনে পিএইচডি করছে। পরিবারে ওরা খুব অসুস্থ। ওর স্ত্রী এবং কন্যা দুজনই।
চিন্তা করেন, সাইফুল হকের পরিবার এবং আমাকে ১৫ দিন পর পর সেখানে হাজিরা দিতে হচ্ছে। কেন? কি কারণে?
তিনি আরো বলেন, যারা রাতারাতি তিনটা-চারটা করে প্রমোশন হলো, তারা এখন সুযোগ পেয়েছেন যে এখন আমরা একটু দেখে নিতে চাই, উনারা এখন দেখে নিচ্ছেন। কোথায় মানবাধিকার? দুদকের মামলায় তদন্তকালে কাউকে গ্রেপ্তার করার তো কোন বিধান নাই এবং চারটে মামলা দেওয়া হয়েছে যে তিনটা জামিন হওয়ার পরে এখন আমরা জামিন চাইছি না। কেন চাইছি না? জামিন হলে আরেকটা মামলায় তার নাম যুক্ত করবে।
খবরওয়ালা/এফএস