খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ মার্চ ২০২৫
পবিত্র মাহে রমজানে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সংকট কিছুটা কমলেও ভোক্তাদের চাহিদানুযায়ী সরবরাহ পুরোপুরি ঠিক হয়নি। চালের বাজারে এখনো অস্বস্তি রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে মিনিকেট চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) রাজধানীর কাজীপাড়া, মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেট, টাউন হল বাজার ও কারওয়ান বাজার ঘুরে এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রায় দেড় মাস ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকট চলছে। ভোজ্যতেল উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো বলছে, তারা চাহিদা অনুসারে তেল সরবরাহ করছে। আর খুচরা বিক্রেতারা জানিয়েছেন, তাঁরা ডিলারদের থেকে প্রয়োজনীয় তেল পাচ্ছেন না।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনও সয়াবিন তেলের সরবরাহ–সংকটের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। সর্বশেষ সোমবার রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল কাঁচাবাজার পরিদর্শনে গিয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে সয়াবিন তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে। তবে গতকাল বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও তা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বিভিন্ন সবজিপণ্যের মধ্যে বেগুন, মরিচ, শসা ও টমেটোর দাম কিছুটা কমেছে। যেমন বর্তমানে ধরনভেদে এক কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৯০ টাকায়, যা গত সপ্তাহেও কেজিতে ২০ টাকার মতো বেশি ছিল। এভাবে শসার কেজি ১০-২০ টাকা কমে ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি কেজি টমেটো ২০-২৫ টাকা ও কাঁচা মরিচের দাম রাখা হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা। মূলত শীত মৌসুম থাকায় বেশির ভাগ সবজির দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
আলু ও পেঁয়াজের দাম আগে থেকেই কম। বর্তমানে প্রতি কেজি আলু ২০-২৫ টাকা ও দেশি পেঁয়াজ ৪০-৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। টিসিবির তথ্য অনুসারে, গত বছর এ সময়ে আলুর কেজি ছিল ৩৫-৪০ টাকা এবং পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ৮০-১০০ টাকায়। খুচরা বিক্রেতারা জানান, বর্তমানে আলু ও পেঁয়াজের মৌসুম থাকায় সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। এ কারণে দাম কম।
রাজধানীর মোহাম্মদিয়া হাউজিং এলাকার বাসিন্দা ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, এবারের রোজায় সবজির দাম নাগালের মধ্যেই রয়েছে। তবে সয়াবিন তেল নিয়ে সমস্যা পোহাতে হয়েছে। আর মাছ, মাংস ও দুধের দাম অনেকটা বাড়তি।
খবরওয়ালা/ এমইউ