জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৭ এপ্রিল ২০২৫
জামালপুরে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে অস্ত্র উঁচিয়ে ধরার ঘটনায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য উপমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক।
সোমবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সরকার আমাকে তামাশা দেখার জন্য অস্ত্র দেয়নি, দেয়নি মুছে ঘরে রেখে দিতে—দিয়েছে নিরাপত্তার জন্য। আমি ছেলেকে বাঁচাতেই অস্ত্র হাতে সেখানে গিয়েছিলাম।’
তিনি জানান, শহরের স্টেশন রোডের সফি মিয়ার বাজার মোড়ে তাঁর বড় ছেলে বাবুর নামে থাকা একটি ঘর জামালপুর জেলা বিএনপির কার্যালয় হিসেবে ২৮ বছর ধরে বিনা ভাড়ায় ব্যবহৃত হয়ে আসছে। গত ১ এপ্রিল রাতে তাঁর ছেলে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ঘর সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করতে গেলে সেখানে উপস্থিত নেতাকর্মীরা তাকে মারধরের চেষ্টা করেন।
এ খবর পেয়ে তিনি লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল সঙ্গে নিয়ে সেখানে উপস্থিত হন। তিনি বলেন, ‘আমি আশঙ্কা করেছিলাম আমাকেও হয়তো মারধর করা হবে, তাই আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র প্রদর্শন করেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন মল্লিক ভোলা ও জেলা বিএনপির সদস্য শামীম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সিরাজুল হক ১৯৯১ সালে জামালপুর-৫ (সদর) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সেই সময় তিনি স্বাস্থ্য উপমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
খবরওয়ালা/আরডি