খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 5শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২০ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বান্দরবানের রুমা উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এ ঘটনায় স্থানীয় সামাজিক সালিশি বিচারের মাধ্যমে অভিযুক্ত ছয় ধর্ষণকারীকে মাত্র ৫০ হাজার টাকা জরিমানার অজুহাতে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার পর পুলিশ তিনজনকে আটক করেছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে। স্থানীয় সামাজিক সালিশি বিচারে নেতৃত্ব দেন গংবাসে মার্মা ও মংচউ মার্মাগং, এবং সভাপতিত্ব করেন থোয়াইসা মার্মা। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রীর বরাতে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুতে রাংমেশে মার্মার ছেলে শৈহাইনু মার্মা তাকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনা তার বন্ধু ক্যাহ্লা ওয়াইং, ক্য ওয়ং সাই, চহাই, উহাই সিং ও ক্য সাই ওয়ং জানতে পারে। তারা এই সুযোগে ভয় দেখিয়ে পর্যায়ক্রমে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। পরে ভুক্তভোগী বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়। এরপর স্থানীয়ভাবে সালিশি বিচারের আয়োজন করা হয়।
সালিশি বিচারক গংবাসে মার্মা জানান, অভিযুক্ত পাঁচজনকে মোট ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা কয়েকদিনের মধ্যে জমা দেওয়া হবে। এই টাকা ভুক্তভোগীকে দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। তিনি আরও বলেন, ‘ভুক্তভোগীর অভিভাবক ও পাড়াবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে আমরা এই সালিশি বিচারে মিলিত হয়েছিলাম।’
এ বিষয়ে রুমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী বলেন, ‘বিষয়টি আমরা ফেসবুকে পেয়েছি। আমি এ নিয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। আমরা কাজ করছি এবং তিনজনকে আটক করেছি।’
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার পর পুলিশের এই পদক্ষেপ এলাকায় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এলাকাবাসী এ ঘটনায় কঠোর বিচার দাবি করছেন।
খবরওয়ালা/শরিফ