নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
নিহত শ্রী প্রিয়া তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন। তার স্বামী বালামুরুগমের বাড়ি তামিলনাড়ুর তিরুনেলভেলিতে। তিনি স্বামীর কাছ থেকে আলাদা থাকতেন। স্ত্রী পরকীয়ায় জড়িত—এই ধারণা থেকে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।
মঙ্গলবার এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, বালামুরুগম নির্মমভাবে স্ত্রীকে একটি নারী হোস্টেলে কুপিয়ে হত্যা করেন। এরপর তিনি মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, রোববার বিকালে সন্দেহভাজন ব্যক্তি হোস্টেলে আসেন। তিনি নিজের পোশাকে একটি দা লুকিয়ে নিয়ে এসেছিলেন এবং শ্রী প্রিয়ার সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। দুজনের দেখা হওয়ার পরই তর্ক শুরু হয়, যা দ্রুত সহিংস রূপ নেয়। একপর্যায়ে বালামুরুগম লুকানো দা বের করে শ্রী প্রিয়াকে কুপিয়ে হত্যা করেন।
পুলিশ আরও জানায়, হত্যার পরে তিনি মৃতদেহের সঙ্গে সেলফি তুলে নিজের হোয়াটসঅ্যাপ স্ট্যাটাসে শেয়ার করেন এবং স্ত্রীর বিরুদ্ধে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’র অভিযোগ তোলেন। ঘটনাটি হোস্টেলে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর বালামুরুগম পালিয়ে যাননি, বরং ঘটনাস্থলেই ছিলেন। পরে পুলিশ গিয়ে সেখান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বালামুরুগম সন্দেহ করতেন তার স্ত্রী অন্য এক পুরুষের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িত ছিলেন।
খবরওয়ালা /এসএস