খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 13শে চৈত্র ১৪৩১ | ২৭ই মার্চ ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের কর্মসূচিতে স্মৃতিসৌধে উপস্থিত থেকেও পুষ্পস্তবক অর্পণ ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদর্শন করেননি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক।
বুধবার (২৬ মার্চ) দিবসের প্রথম প্রহরে মহান স্বাধীনতা দিবসে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্মৃতিসৌধে জেলা প্রশাসক দিদারুল আলমসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা, পুলিশ সুপার এহতেশামুল হকসহ পুলিশ সদস্যরা শ্রদ্ধা নিবেদন করতে ফারুকী পার্কে স্মৃতিসৌধে গিয়ে জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেননি। পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। শহীদদের উদ্দেশে সালামও তিনি দেননি। তিনি দূরে দাঁড়িয়ে কর্মসূচি প্রত্যক্ষ করেন।
এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসেও তিনি শহীদ মিনারে ফুল দেননি। যদিও তার পাশে থাকা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোছাইন তখন পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছিলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক দিদারুল আলম বলেন, ‘আমি তাকে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর সময় বলেছিলাম। কিন্তু তিনি উপস্থিত থাকলেও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাননি। আজও একই বিষয় হয়েছে। তিনি উপস্থিত থাকলেও তার দফতরের অন্য কর্মকর্তারা রাষ্ট্রীয় সালাম ‘গার্ড অব অনারে’ অংশগ্রহণ করেন। তিনি পাশে দাঁড়িয়ে থাকলেও রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধাচারে অংশ গ্রহণ করেননি।’
শ্রদ্ধা নিবেদন না করার কারণ জানতে মুঠোফোনে কল করলে পুলিশ সুপার মো. এহতেশামুল হক বলেন, ‘অফিসে আসেন, মোবাইলে বলা যাবে না। রোজার মাসের পরে আসেন, চা খেতে-খেতে বলা যাবে।’
এ বিষয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আহসান হাবীব পলাশ বলেন, ‘ঐতিহ্যগতভাবে আমরা জাতীয় দিবসগুলোতে শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধে গিয়ে থাকি, পুষ্পস্তবক অর্পণ করি। এটা এভাবেই হয়ে আসছে।’
খবরওয়ালা/এমইউ