খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 13শে আশ্বিন ১৪৩২ | ২৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
আজ আর নেই কোনো ভাবনা,
যদি অকারণ কোথাও হারিয়ে যায় মন-
জানি, আর কোনোদিন খুঁজে পাবো না তাকে…
তবুও তিনি থেকে গেছেন সুরের ঢেউয়ে,
স্মৃতির অন্তরালে।
সঙ্গীত জগতের অবিসংবাদী সম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর-
শুধু এক নাম নয়, এক ইতিহাস।
শিশু অভিনেত্রী হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে যাত্রা শুরু,
কিন্তু খুব দ্রুতই তিনি খুঁজে পান নিজের আসন-
সুরের আঙিনায়।
১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ইন্দোরে জন্ম।
১৯৪২ সালে মারাঠি ছবির সৌজন্যে প্রথম গান রেকর্ড,
এরপর শুরু হলো এক অনন্য যাত্রা,
যা আর কখনো থেমে থাকেনি।
সাত দশকের দীর্ঘ কেরিয়ারে
আটত্রিশটি ভাষায় রেকর্ড করেছেন প্রায় সাত হাজার গান—
যার প্রতিটি যেন একেকটি অমর সুরমণি।
‘ভারতরত্ন’, ‘পদ্মভূষণ’, ‘পদ্মবিভূষণ’,
দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার-
কোনো সম্মানই যেন যথেষ্ট ছিল না
এই সুরের সরস্বতীর জন্য।
কারণ তিনি ছিলেন সম্মানকে অতিক্রম করা এক নাম।
২০২২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি,
দেশ জুড়ে যখন ভেসে আসছিল সরস্বতী বন্দনার ধ্বনি,
ঠিক তখনই চির বিদায় নিলেন সুরের দেবী।
থেমে গেল এক কিংবদন্তির শ্বাস,
কিন্তু থামেনি তাঁর সুর।
উপমহাদেশের এই চিরকুমারী কোকিল কণ্ঠীর প্রয়াণে
শেষ হলো এক যুগের,
কিন্তু থেকে গেলেন তিনি
প্রতিটি হৃদয়ে, প্রতিটি গানে,
প্রতিটি অশ্রুসিক্ত স্মরণে।
শ্রদ্ধাঞ্জলি লতা মঙ্গেশকরকে-সুরের সরস্বতী, যিনি আজও আছেন, থাকবেন চিরকাল।