খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দ্বিতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে নিজ অফিসে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টার পর তিনি মন্ত্রিপরিষদ ভবনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছান এবং দিনটি নানা সরকারি কর্মসূচি ও বৈঠকে ব্যস্ত রাখেন।
প্রধানমন্ত্রীর একটি শীর্ষসূত্র জানিয়েছে, নতুন প্রধানমন্ত্রীর অফিস সচিবালয়ে অবস্থান কয়েকদিনের জন্য অনিশ্চিত ছিল না। প্রধানমন্ত্রীর নিজস্ব কার্যালয় এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী মেরামতের কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। ফলে, এই সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সচিবালয়ে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে প্রথমে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের পরিকল্পনা নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করবেন। এই কর্মসূচি দেশের সামাজিক নিরাপত্তা ও সরকারি সেবার সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট প্রতিটি মন্ত্রণালয় থেকে কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন এবং কর্ম পরিকল্পনা, সময়সীমা ও বাস্তবায়নের দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করবেন।
এরপর দুপুর ২টায় প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ ও জলসম্পদ সংরক্ষণ সংক্রান্ত একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করবেন। এ সভার মূল উদ্দেশ্য হলো আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, নদী ও খাল খনন, এবং জলাধার পুনর্গঠন কার্যক্রম বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা। সরকারি সূত্র জানিয়েছে, এই পরিকল্পনা দেশের পরিবেশ রক্ষা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
এছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনার মাধ্যমে বর্তমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করছেন এবং নতুন উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিচ্ছেন।
নিচের টেবিলে আজকের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ও কর্মসূচি সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হলো:
| সময় | কার্যক্রম | বিষয়বস্তু | লক্ষ্য |
|---|---|---|---|
| ৯:০০ AM | সচিবালয়ে আগমন | প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পৌঁছানো | অফিস কার্যক্রম শুরু |
| ১১:৩০ AM | আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক | ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মপরিকল্পনা | সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণ |
| ২:০০ PM | আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা | ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, নদী-খাল খনন, জলাধার পুনরুদ্ধার | পরিবেশ ও জলসম্পদ সংরক্ষণ |
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সচিবালয়ে দ্বিতীয় দিনের এই অফিস কার্যক্রম সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের দিকে নির্দেশিত। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই ধরণের সরাসরি নেতৃত্ব দেশের উন্নয়ন ও সামাজিক কল্যাণ কার্যক্রমের জন্য প্রেরণাদায়ক।
আজকের দিনটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য প্রশাসনিক পরিকল্পনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং সামাজিক নিরাপত্তা সম্প্রসারণ—তিনটি ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদানের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে ধরা হচ্ছে।