খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় জালালাবাদ শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপি’এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিমানের পাইলটকে জীবিত অবস্থায় আটক করেছে আফগান সেনাবাহিনী ও পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে পাইলট প্যারাসুটের সাহায্যে নিচে ঝাঁপ দিয়েছেন। পরে আফগান নিরাপত্তা বাহিনী তাকে ধরে ফেলে। জালালাবাদ পুলিশ বিভাগের মুখপাত্র তায়েব হাম্মাদ বলেন, “ষষ্ঠ জেলায় একটি পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। পাইলটকে জীবিত অবস্থায় আটক করা হয়েছে।”
পূর্ব আফগানিস্তানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ওয়াহিদুল্লাহ মোহাম্মদীও এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “আমাদের বাহিনীর অভিযানে বিমানটি ভূপাতিত হয়েছে এবং পাইলটকে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি বর্তমানে নিরাপদ এলাকায় রাখা হয়েছে এবং তার বিষয়ে তদন্ত চলছে।”
অতিরিক্ত সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনায় কোনও আফগান নিরাপত্তা কর্মী বা স্থানীয় বেসামরিক লোকজনের আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। তবে বিমান বিধ্বস্ত হওয়া এলাকা রণক্ষেত্রের মতো, যেখানে তৎপর নিরাপত্তা প্রহরী মোতায়েন করা হয়েছে।
| বিষয় | বিবরণ |
|---|---|
| স্থান | জালালাবাদ, আফগানিস্তান |
| তারিখ | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
| বিমান প্রকার | পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান |
| পাইলট | জীবিত আটক |
| আহত/মৃত | কোন আফগান সিভিলিয়ান বা সেনা আহত হয়নি |
| নিরাপত্তা ব্যবস্থা | এলাকা ঘিরে অভিযান ও প্রহরায় নিয়োজিত সেনাবাহিনী |
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর ধোঁয়া ও ধ্বংসাবশেষ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে এলাকা ঘিরে রাখে এবং কোনও সম্ভাব্য সুরক্ষা ঝুঁকি কমাতে তৎপর হয়।
পাকিস্তানি বিমানটি কেন আফগানিস্তানের আকাশসীমায় প্রবেশ করেছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সামরিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি হয় দুর্ঘটনাজনিত অথবা সীমান্ত সংক্রান্ত সামরিক অভিযানের অংশ হতে পারে। আফগান ও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ উভয়েই এ বিষয়ে প্রাথমিকভাবে কোনও মন্তব্য করেননি।
এ ঘটনা সামরিক এবং কূটনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। আফগান নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই পাইলটকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।