খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
দক্ষিণ ইরানের হরমোজগান প্রদেশের মিনাব শহরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ভয়াবহ হামলার ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪-এ। এ খবর নিশ্চিত করেছে ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি, শনিবার দুপুরে। হামলার খবরটি পরে আন্তর্জাতিক সম্প্রচারক সংস্থা আল জাজিরা আরও সম্প্রসারিত করে।
প্রাথমিক খবরে বলা হয়েছিল, এই হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, নিহতদের অধিকাংশই বিদ্যালয়ের ছোট বালিকা শিক্ষার্থী। স্থানীয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হামলার ফলে স্কুল ভবনের একটি বড় অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে আহতদের সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির সঠিক পরিমাণ এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
হামলার প্রকৃতি ও ব্যবহৃত অস্ত্রের বিষয়ে সরকারী কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ হয়নি। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, পুরো এলাকাজুড়ে চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক এবং শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে।
| তথ্যের বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
|---|---|
| হামলার স্থান | মিনাব, হরমোজগান প্রদেশ, দক্ষিণ ইরান |
| লক্ষ্য | প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় |
| নিহতের সংখ্যা | ২৪ জন (প্রধানত শিক্ষার্থী) |
| ক্ষয়ক্ষতির ধরন | বিদ্যালয় ভবনের একটি অংশ ধ্বংস |
| সূত্র | Fars News Agency, Al Jazeera |
| আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া | বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও রাষ্ট্র পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে |
স্থানীয় স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে অনেকে গম্ভীর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি। সাম্প্রতিক হামলার কারণে মিনাব শহরের স্কুলগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্ত করা হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, যাতে এ ধরনের হামলা পুনরায় না ঘটে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ও এই হামলার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইরানের সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে হামলার লক্ষ্য বানানো আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং এটি শিশু শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকারকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
এ হামলা আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর নজর কাড়ছে, কারণ এটি শিশুদের উপর পরিকল্পিত সহিংসতার একটি দৃষ্টান্ত। এলাকাবাসী ও স্কুল কর্তৃপক্ষ দ্রুত সাহায্য ও পুনর্বাসন কার্যক্রম শুরু করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।