খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩:৩০ টার দিকে ‘রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা’ ত্যাগ করেছেন। রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনের উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার তথ্য গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী নিশ্চিত করেছেন।
প্রকৌশলীর বরাত মতে, “সাবেক প্রধান উপদেষ্টা কিছু সময় আগে ভবনটি ত্যাগ করেছেন। তার সঙ্গে সামান্য ব্যক্তিগত মালপত্রও নেওয়া হয়েছে। ভবনটিতে থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথি ও সরকারি দায়িত্বমূলক উপকরণ পরবর্তীতে সংরক্ষিত রাখা হবে।”
ড. ইউনূসের প্রস্থানের পর ভবনটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কাজ শুরু হবে গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে। এই সংস্কার কাজ শেষে ভবনটি নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা হবে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের মধ্যেই ভবনের অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, কারিগরি পরিকাঠামো ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ মুহূর্তে যমুনায় উঠবেন কি না, তা এখনও চূড়ান্ত নয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসভবনে অবস্থান করছেন।
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রাক্তন ব্যবহারকারী | অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস |
| প্রস্থান সময় | ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, বিকেল ৩:৩০ টা |
| বর্তমান গন্তব্য | গুলশানের ব্যক্তিগত বাসভবন |
| ভবনের পরবর্তী ব্যবহার | নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান |
| সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ | চলতি মাসের মধ্যেই সম্পন্ন করার লক্ষ্য |
| কাজের ধরণ | অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা, কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন |
তথ্য অনুযায়ী, যমুনা ভবনটি একটি স্ট্যান্ডার্ড রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন হিসেবে অবকাঠামোগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভবনটি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের অতিথি ও প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়।
সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সংস্কার কাজের মধ্যে রয়েছে বৈদ্যুতিক ও জল সরবরাহ ব্যবস্থার আপগ্রেড, নিরাপত্তা ব্যবস্থা উন্নয়ন, ফার্নিচার ও অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জার নবায়ন। এছাড়া ভবনের অভ্যন্তরীণ ও বহিরঙ্গন নিরাপত্তা ব্যবস্থা সব সময় নিশ্চিত রাখার জন্য নজরদারি বাড়ানো হবে।
ফলে, ড. ইউনূসের প্রস্থান একটি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যদি যমুনা ভবনে ওঠেন, তবে এটি হতে যাচ্ছে একটি আধুনিক, পূর্ণ প্রস্তুত, এবং নিরাপদ রাষ্ট্রীয় ভবন, যা দেশের উচ্চপর্যায়ের সরকারি কর্মকাণ্ডের মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।