খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারত ও ইংল্যান্ডের মধ্যকার উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইতে দারুণ বোলিং দিয়ে ভারতকে ফাইনালে পৌঁছে দিয়েছেন জসপ্রীত বুমরাহ। গতকাল মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে চাপের মুহূর্তে ডেথ ওভারে নিখুঁত ইয়র্কার এবং কৌশলী বোলিং প্রদর্শন করে বুমরাহ ইংলিশ ব্যাটসম্যানদের দমন করেন।
ইংল্যান্ডের শেষ তিন ওভারে প্রয়োজন ছিল ৪৫ রান। এমন সংকট মুহূর্তে অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব বল তুলে দেন বুমরাহর হাতে। ১৮তম ওভারের প্রথম বলেই তিনি স্যাম কারানকে সুনিপুণ ইয়র্কারে আউট প্রাপ্ত করার মতো চাপের মধ্যে ফেলেন। পুরো ওভার থেকে মাত্র ৬ রান দেওয়া বুমরাহর বোলিংয়ে শেষ দুই ওভারে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন পড়ে ৩৯ রান, যা অর্জন সম্ভব হয়নি। এর ফলে ভারত ৭ রানে জয়ী হয়ে ফাইনালে উঠে যায়।
ডেথ ওভারে বুমরাহর এমন চমকপ্রদ বোলিংয়ে মুগ্ধ হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “জসপ্রীত বুমরাহ, তুমি দেখিয়ে দিলে তেল ছাড়া রান্না কিভাবে হয়। প্রত্যেক যুগে এমন বোলার একবারই আসে।”
ম্যাচে আগে ব্যাট করে ভারত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ২৫৩ রান সংগ্রহ করে। উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলে যান সঞ্জু স্যামসন, যিনি ৪৩ বলে ৮ চার ও ৭ ছক্কায় ৮৯ রান করে টিমকে শক্ত ভিত্তি দেন। যদিও ম্যাচসেরার পুরস্কার পান স্যামসন, ম্যাচ শেষে তিনি নিজেই মনে করেন এটি বুমরাহর প্রাপ্য ছিল। পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি বলেন,
“সব কৃতিত্ব বুমরাহরই। তিনি একজন বিশ্বমানের বোলার। প্রত্যেক প্রজন্মে এমন ক্রিকেটার একবারই জন্মায়। ডেথ ওভারে তার বোলিং না থাকলে আমরা আজ এখানে দাঁড়াতে পারতাম না।”
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| প্রতিপক্ষ | ইংল্যান্ড |
| স্থান | ওয়াংখেড় স্টেডিয়াম, মুম্বাই |
| ভারত ২০ ওভার স্কোর | ৭ উইকেটে ২৫৩ রান |
| ভারতের সর্বোচ্চ রান | সঞ্জু স্যামসন, ৮৯ (৪৩ বল) |
| ইংল্যান্ডের শেষ ৩ ওভারের প্রয়োজন | ৪৫ রান |
| বুমরাহর ১৮তম ওভার | ৬ রান, ১ ব্যাটসম্যান ডট |
| জয় পরিমাণ | ৭ রানের জয় |
| ফাইনালে প্রতিপক্ষ | নিউজিল্যান্ড |
| ফাইনালের স্থান | নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম, আহমেদাবাদ |
এই জয়ের মাধ্যমে ভারত রোববার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে। ম্যাচটি ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য হবে এক রোমাঞ্চকর রোমাঞ্চকর লড়াই, যেখানে বুমরাহর দক্ষতা আবারও ভারতের জয় নিশ্চিত করতে পারে।
সত্যিই বলা যায়, “বুমরাহর মতো বোলার এক যুগে একবারই জন্মায়।”