খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
বিশ্বকাপের পথের প্রস্তুতি সব দলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা–এর জন্য এটি কেবল শারীরিক নয়, মনস্তাত্ত্বিকও। আজ বুয়েনোস আইরেসের ঐতিহাসিক লা বোম্বোনেরা স্টেডিয়ামে তারা মুখোমুখি হবে মৌরিতানিয়া দলের সঙ্গে। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত ৫টা ১৫ মিনিটে শুরু হবে।
দলের কোচ লিওনেল স্কালোনি এই আন্তর্জাতিক বিরতিতে মূলত ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য দলকে প্রস্তুত করতে চাইছেন। স্কোয়াডে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় ও নতুন প্রজন্মের মিশ্রণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ইনজুরির কারণে স্কোয়াডে নেই লিওনার্দো বালেরদি ও গনসালো মন্টিয়েল, তবে হুলিয়ান আলভারেজের জন্য এটি বিশেষ মুহূর্ত—জাতীয় দলের হয়ে ৫০তম ম্যাচ খেলবেন তিনি। মেসি জাতীয় দলের হয়ে ২০০ ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শের জন্য মাত্র চারটি ম্যাচ দূরে আছেন।
আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাসে ভরপুর। তারা টানা তিনটি ম্যাচ জয় করেছে এবং সেই তিন ম্যাচে কোনো গোল হজম করেনি। সর্বশেষ ২০২৫ সালের শেষ ম্যাচে অ্যাঙ্গোলা–কে ২-০ গোলে হারিয়েছে।
ঘরের মাঠের রেকর্ডও শক্তিশালী। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ বাছাইয়ের পর থেকে বুয়েনোস আইরেসে হারেনি তারা। মার্চ মাস তাদের জন্য শুভ: শেষ ছয়টি মার্চ ম্যাচ জয়লাভ করেছে আর্জেন্টিনা। শেষ মার্চে হেরেছিল ২০১৯ সালে, ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে ৩-১ গোলে।
অন্যদিকে, মৌরিতানিয়ার জন্য এটি ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ম্যাচ। কোচ আরিটজ লোপেজ গারাই–এর পরিকল্পনায় এটি বড় পরীক্ষা। দলের তরুণ খেলোয়াড়রা অভিজ্ঞতার সঙ্গে কৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবেন।
| বিভাগ | খেলোয়াড়/তথ্য |
|---|---|
| অভিজ্ঞ খেলোয়াড় | এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, এনজো ফার্নান্দেজ, রদ্রিগো দে পল, হুলিয়ান আলভারেজ |
| তরুণ প্রতিভা | থিয়াগো আলমাদা, নিকোলাস পাজ, ফ্রাঙ্কো মাস্তান্তো |
| দলের নেতা | লিওনেল মেসি |
| অনুপস্থিত খেলোয়াড় | লিওনার্দো বালেরদি, গনসালো মন্টিয়েল |
| হুলিয়ান আলভারেজ | ৫০তম জাতীয় ম্যাচের সুযোগ |
| লিওনেল মেসি | ২০০তম জাতীয় ম্যাচের মাইলফলক স্পর্শের পথে |
| সাম্প্রতিক জয় | টানা ৩টি জয়, হজম শূন্য গোল |
| সর্বশেষ ম্যাচ | অ্যাঙ্গোলা ২-০ (২০২৫) |
| ঘরের মাঠের রেকর্ড | ২০২৩ থেকে লস নেই, শেষ হার ২০১৯ সালে ভেনিজুয়েলার বিপক্ষে |
আজকের ম্যাচ কেবল প্রস্তুতির পরীক্ষা নয়, এটি আর্জেন্টিনার অভিজ্ঞতা ও নতুন প্রজন্মের সমন্বয় দেখানোর সুযোগ। লিওনেল মেসির নেতৃত্ব এবং তরুণ খেলোয়াড়দের উদ্যম এই দলকে ২০২৬ বিশ্বকাপের দিকে আরও দৃঢ় করে এগোতে সাহায্য করবে। অন্যদিকে মৌরিতানিয়ার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ, যা তাদের আন্তর্জাতিক ফুটবলের মান বৃদ্ধিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।