জাতীয় সংসদের বিশিষ্ট স্পিকার ও বীর বিক্রম হাফিজ উদ্দিন আহমেদ-এর সহধর্মিণী, সমাজসেবী ও গুণী নারী মিসেস দিলারা হাফিজ আর নেই। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর প্রয়াণে পরিবার, আত্মীয়স্বজন এবং শুভানুধ্যায়ীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
মৃত্যুকালে মিসেস দিলারা হাফিজ স্বামী হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এক পুত্র, এক কন্যা, নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি কেবল পরিবারের জন্যই নয়, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও তার সেবা ও সহমর্মিতার মাধ্যমে অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মরহুমার মরদেহ ২৯ মার্চ ২০২৬ সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আনা হবে। জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানসূচি নিম্নরূপ নির্ধারিত হয়েছে:
| তারিখ ও সময় |
অনুষ্ঠান |
স্থান |
| ৩০ মার্চ, সকাল ১১:০০ |
প্রথম নামাজে জানাজা |
জাতীয় সংসদ ভবন, দক্ষিণ প্লাজা |
| ৩০ মার্চ, বাদ জোহর |
দ্বিতীয় জানাজা |
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সেন্ট্রাল জামে মসজিদ |
| ৩০ মার্চ, দুপুর |
দাফন |
বনানী মিলিটারি গ্রেভইয়ার্ড |
মিসেস দিলারা হাফিজ ছিলেন সমাজের নানা কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ও মানবিক সহমর্মিতার প্রতীক। তিনি বিভিন্ন সামাজিক ও দাতব্য কার্যক্রমে সরাসরি অংশগ্রহণ করে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে গেছেন। পরিবার ও সমাজে তার অবদান অনস্বীকার্য।
মৃত্যুর খবর পেয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং সামাজিক নানা মহল থেকে শোক প্রকাশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী, সংসদ সদস্যসহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তার স্নেহ, নীতি ও নিষ্ঠার স্মৃতি ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
মিসেস দিলারা হাফিজের অনুপস্থিতি শুধু পরিবারের জন্য নয়, দেশের সমাজের জন্যও একটি অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। তার মানবিক দৃষ্টি, সেবার মানসিকতা এবং পরিবার ও সমাজের প্রতি অবদান সবার মনে অম্লান স্মৃতি হয়ে থাকবে। তাঁর জীবনের পাঠ ও অনুশীলন আগামী প্রজন্মকে নৈতিকতা, সহমর্মিতা এবং দায়িত্বশীলতার শিক্ষণীয় উদাহরণ হিসেবে অনুপ্রাণিত করবে।
এই শোক সংবাদে দেশের সকল শ্রেণির মানুষ শোক প্রকাশ করে তাঁর স্মৃতিকে স্মরণ করবে এবং তার জীবনের কাজ ও অবদানকে স্মরণীয় রাখবে।