খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১০ মার্চ ২০২৫
আওয়ামী লীগের আমলে প্রথম গুমের শিকার বিএনপি নেতা ও কাউন্সিলর চৌধুরী আলমের ঘটনার বিচার চেয়ে তার পরিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করেছে।
সোমবার (১০ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে চৌধুরী আলমের ছেলে আবু সাঈদ চৌধুরী এই অভিযোগ দায়ের করেন।
আসামির তালিকায় আছেন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কর্নেল জিয়াউল আহসান (মেজর জেনারেল হিসেবে বরখাস্ত), কমান্ডার সোহায়েল (রিয়ার অ্যাডমিরাল হিসেবে বরখাস্ত), কর্নেল মো. মুজিবর, তৎকালীন র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক পরে লে. জেনারেল (বরখাস্ত) রিয়াজুল ইসলাম, তৎকালীন শেরে বাংলা নগর থানার ওসি মেজর এরশাদ, তৎকালীন র্যাব-২ এর উপ-অধিনায়ক খান মো. আকতারুজ্জামান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের তৎকালীন সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ফরিদ উদ্দিন রতন, সাবেক কাউন্সিলর নিসার উদ্দিন আহমেদ কাজল, কিশোরগঞ্জের সাবেক এমপি এবং বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সের প্রধান নিয়ন্ত্রক আফজাল হোসেন, মহানগর বিজনেস অ্যাসোসিয়েটসের চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান হুজুর, মহানগর বিজনেস অ্যাসোসিয়েটসের সেক্রেটারি আব্দুল বাসেত মাস্টার, ফুলবাড়ীয়া সুপার মার্কেটের সভাপতি শাহজাহান খান, বঙ্গ কমপ্লেক্স ফুলবাড়ীয়ার সভাপতি মো. শাহজাহান, মীর আল মামুন, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাসিম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফুলবাড়ীয়া টার্মিনাল সংলগ্ন মার্কেটের উপ-পরিচালক ইসমাইল হোসেন বাচ্চুসহ অজ্ঞাত আরও অনেকে।
চৌধুরী আলমের বড় ছেলে আবু সাঈদ চৌধুরী হিমু বলেন, ২০১০ সালের জুলাই মাসে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হলে পুলিশ ও সরকারকে চৌধুরী আলমকে দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালতের সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর হয়নি।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ২৫ জুন গুমের শিকার হন তৎকালীন ঢাকা সিটি করপোরেশনের ৫৬ নম্বর (বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণের ২০) ওয়ার্ড কমিশনার চৌধুরী আলম। তাকে ফার্মগেট ইন্দিরা রোড থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর ১৪ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও তার খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্যরা এখনও জানেন না তিনি জীবিত আছেন নাকি মৃত।
খবরওয়ালা/জেআর