খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১২ মার্চ ২০২৫
গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীতে ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ নামের একটি সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে ‘নারীদের ওপর পুলিশ হামলা চালিয়েছে’ দাবি করে রাতে বিক্ষোভ করেছে কয়েকটি সংগঠন।
গতকালের সংঘর্ষের ব্যাখ্যা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
ডিএমপি জানিয়েছে, মঙ্গলবার (১১ মার্চ ) বিকেল অনুমান সাড়ে ৩টার দিকে ধর্ষণবিরোধী পদযাত্রা নামে নারী-পুরুষসহ ৬০-৭০ জনের একটি বিক্ষোভকারী দল প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে বাধা প্রদান করে। এ সময় ওই পদযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা নারীদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে সামনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করে।
নিকটবর্তী স্থানে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সরে যেতে অনুরোধ করলে তারা উল্টো পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে উদ্ধত ও মারমুখী আচরণ শুরু করে বলে জানিয়েছে ডিএমপি। এ সময় বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী নারীদের নখের আঁচড়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের সঙ্গে ধ্বস্তাধস্তিতে লিপ্ত হন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ওপর অতর্কিত ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালান।
বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী নারীদের নখের আঁচড়ে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ডিএমপি।
এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ডিএমপির দাবি, হামলায় রমনা জোনের সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল-মামুন গুরুতর আহত হন।
এ ছাড়া হামলাকারীদের আঘাতে রমনা ডিভিশনের উপপুলিশ কমিশনার মো. মাসুদ আলম, দুই নারী পুলিশ সদস্য এবং তিন পুরুষ কনস্টেবল আহত হন। পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার মাধ্যমে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
খবরওয়ালা/এমএজেড