খবরওয়ালা স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১০ জুন। ঘরের মাঠে প্রতিপক্ষ হিসেবে নামছে সিঙ্গাপুর। এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচকে সামনে রেখে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে (এনএসসি) সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে), যেন স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ যথাসময়ে শেষ করে তা হস্তান্তর করা যায়।
গতকাল রবিবার, পল্টনে অবস্থিত জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শনে আসেন এএফসি ম্যাচ কমিশনার মিন্দু দর্জি। দিনের আলোয় তিনি স্টেডিয়ামের সার্বিক সুযোগ-সুবিধা ঘুরে দেখেন এবং রাতে পরখ করেন ফ্লাডলাইট ও জায়ান্ট স্ক্রিনের কার্যকারিতা।
বাফুফের নির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুল হাসান হিল্টন পরিদর্শন শেষে জানান, এএফসি প্রতিনিধি স্টেডিয়ামের সার্বিক অবস্থা নিয়ে মোটামুটি সন্তুষ্ট। তবে কিছু ছোটখাটো পর্যবেক্ষণ রয়েছে যেমন ম্যাচ কমিশনারের রুম, ডোপ টেস্ট রুম ও ড্রেসিং রুম। তবে প্রধান সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে পিচ এবং ফ্লাডলাইট।
তিনি আরও বলেন, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের কর্মকর্তারাও পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন। আমরা সবাই মিলে এএফসি কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করেছি। ফ্লাডলাইট ঠিক করার জন্য এনএসসিকে ১০ মে পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে এবং মাঠসহ অবকাঠামোগত অন্যান্য কাজের জন্য ২২ মে পর্যন্ত সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই স্টেডিয়ামটি এক সময় ‘ঢাকা স্টেডিয়াম’ নামে পরিচিত ছিল। এটি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের প্রধান ভেন্যু হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর এর নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব ওঠে এবং ১৯৯৮ সালে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম’ নামটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন পায়।
তবে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার স্টেডিয়ামটির নাম পরিবর্তন করে নতুন করে ‘জাতীয় স্টেডিয়াম, ঢাকা’ ঘোষণা করে।
উল্লেখ্য, জাতীয় স্টেডিয়ামের সংস্কারকাজ ২০২১ সালের আগস্টে শুরু হয়, যা এখনো চলমান রয়েছে। ফুটবলের জন্য এটি বাংলাদেশের প্রধান ভেন্যু হওয়ায় আসন্ন আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে এটি প্রস্তুত রাখা বাফুফের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
খবরওয়ালা/এমবি