খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) টানা পাঁচ কার্যদিবসে সূচকের পতন ঘটেছে, যার ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম আস্থাহীনতা ও হতাশা। গত পাঁচ কার্যদিবসে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স কমেছে মোট ১৩১ পয়েন্ট। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (২০ এপ্রিল) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসেও সূচক কমেছে ২২ দশমিক ৯৫ পয়েন্ট।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বড় ফান্ড বা প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অনুপস্থিতি, পাশাপাশি বিনিয়োগ ঝুঁকি নিয়ে অনিশ্চয়তা বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
এদিন ডিএসইএক্স সূচক নেমে এসেছে ৫ হাজার ৭৪ পয়েন্টে। লেনদেন হয়েছে ৩৫১ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট, যা আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও বাজারে মূল্যসূচকের নিম্নগতি থামেনি।
শেয়ারবাজারে লেনদেন হওয়া ৩৯৬ কোম্পানির মধ্যে ৬১ ভাগ, অর্থাৎ ২৪৩টির শেয়ারদর কমেছে। বাড়েছে ১০১টির আর অপরিবর্তিত ছিল ৫২টি কোম্পানির দর।
বাজার বিশ্লেষক ও শেয়ারবাজার সংস্কার টাস্কফোর্সের সদস্য আল আমিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যেসব ফান্ড আগে নিয়মিত বাজারে ঘুরত, সেগুলোর গতি থমকে গেছে। বড় বিনিয়োগকারীরা আপাতত পর্যবেক্ষণে আছেন, সক্রিয় অংশগ্রহণ করছেন না।’
টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে কিছু প্রস্তাব ইতোমধ্যে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে, যা আইন ও নীতিগত সংস্কারে কাজে লাগতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই ধারা দেখা গেছে। সার্বিক সূচক কমেছে ৬১ দশমিক ১২ পয়েন্ট, অবস্থান করছে ১৪ হাজার ১৯৭ পয়েন্টে। এখানে লেনদেন হয়েছে ৬ কোটি ৩৫ লাখ টাকার শেয়ার।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, বাজারে স্বচ্ছতা ও দীর্ঘমেয়াদি আস্থা ফেরাতে এখন প্রয়োজন সময়োপযোগী সংস্কার, শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কার্যকর অংশগ্রহণ।
খবরওয়ালা/আরডি