খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৩ মে ২০২৫
যুক্তরাজ্যের লন্ডনে বাংলাদেশি অধ্যুষিত টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মাইলএন্ড ওয়ার্ডে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন ২০ বছর বয়সী ব্রিটিশ-বাংলাদেশি তরুণ হাসান।
বুধবার (স্থানীয় সময়) রাতে দুই ভাইয়ের তর্কাতর্কির একপর্যায়ে বড় ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। পুলিশ সন্দেহভাজন ভাইকে গ্রেপ্তার করলেও তার নাম প্রকাশ করেনি।
এ ঘটনায় আরও আহত হয়েছেন ১৬ বছর বয়সী এক কিশোর এবং ২০ বছর বয়সী এক তরুণী, যাঁরা বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, টাওয়ার হ্যামলেটসের একটি আবাসিক ভবনের ফ্ল্যাটে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বড় ভাই ধারালো অস্ত্র দিয়ে হাসানকে উপর্যুপরি আঘাত করেন। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে হাসানকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে জরুরি বিভাগ। কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান।
লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশ জানায়, ঘটনাটিকে সন্দেহজনক মৃত্যু হিসেবে গণ্য করা হয়েছে এবং এর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।
নিহত হাসানের বাবা সালেহ আহমদ এ ঘটনার জন্য যুক্তরাজ্যের সোশ্যাল সার্ভিসকে দায়ী করেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “আমার স্ত্রী বহু বছর আগে আলাদা হয়ে যান। এরপর সন্তানদের অভিভাবকত্ব নেয় সোশ্যাল সার্ভিস। বহুবার আবেদন করেও সন্তানদের কাছে আনতে পারিনি। তারা নিজেরাও আমার সঙ্গে থাকতে চেয়েছিল। যদি সন্তানরা আমার কাছে থাকত, আজ এই ট্র্যাজেডি ঘটত না।”
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত হাসানের গ্রামের বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলায়।