খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে বৈশাখ ১৪৩২ | ১০ই মে ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১০ মে) বিকেল ৫টার দিকে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে ছাত্র-জনতার অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় শহরের উপজেলা গেটসংলগ্ন উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের গেট-দরজা, জানালার গ্রিল, চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুরসহ তাতে আগুন দেওয়া হয়
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধকরণ, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশ এবং ফ্যাসিবাদের দোসরদের পালিয়ে যাওয়ার প্রতিবাদে বিকেলে শহরের চৌমাথা মোড়ে ছাত্র-জনতা অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের গেট, দরজা, জানালার গ্রিল, চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাঙচুর করে এবং পরে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়।
এর আগে আজ শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে শহরের চৌমাথা মোড়ে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন গাইবান্ধা জেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি জুবায়ের হোসেন, পলাশবাড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা আবু তালেব মাস্টার, উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি শামীম হাসান, উপজেলা শিবির সভাপতি জুয়েল রানা (পশ্চিম), আল ইমরান (পূর্ব), পৌর সভাপতি আব্দুল্লাহ রুবেল ও জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা শেখ।
কর্মসূচি থেকে নেতা-কর্মীরা বলেন, ৫ আগস্ট আ. লীগের এই বাংলায় থাকার অধিকার হারিয়েছে। অতি দ্রুত আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে। ফ্যাসিবাদের দোসরদের পালিয়ে যাওয়ার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়। এ ছাড়া জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র প্রকাশের দাবিও জানান তাঁরা। এসব দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেও জানান তাঁরা।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌমাথা মোড়ে এসে শেষ হয়। সেখানে মিছিলকারীরা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখ্য সংগঠক মাসুদ রানা শেখ বলেন, অবস্থান কর্মসূচি চলাকালীন বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুরসহ আগুন দেয়। এতে তাঁদের সংগঠনের কেউ জড়িত নন।
পলাশবাড়ী উপজেলা যুব জামায়াতের সভাপতি শামীম হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে ভাঙচুর-আগুন দেওয়ার ঘটনায় তাঁদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
খবরওয়ালা/এসআর