খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
পাকিস্তানের আকাশ প্রতিরক্ষায় ইতিহাস গড়েছেন এক সাহসিনী—আয়েশা ফারুক। তার ছোড়া এআইএম-১২০সি এএমআরএএএম ক্ষেপণাস্ত্রে প্রথমবারের মতো ভূপাতিত হয়েছে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক ও দামি যুদ্ধবিমান—ভারতের ফরাসি-নির্মিত ‘রাফাল’।
৬ মে দিবাগত রাতে ভারত-পাকিস্তানের আকাশসীমায় যখন উত্তেজনা চরমে, তখন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর সবচেয়ে দক্ষ নারী পাইলট আয়েশা ফারুক নির্ভুল নিশানায় আঘাত হানেন। মাত্র ২৭ সেকেন্ডে রাফালের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ, ৮.৭ সেকেন্ডে ধ্বংস আর ৪ সেকেন্ডেই নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় ভারতের ২৮৮ মিলিয়ন ডলারের গর্ব—রাফাল।
বিশ্বজুড়ে এই ঘটনা আলোড়ন তুলেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা, এমনকি ফরাসি গণমাধ্যমও রাফাল ভূপাতিত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে। আর এই ঐতিহাসিক আকাশবিজয়ের নায়িকা একজন নারী—যুদ্ধপ্রস্তুত পাকিস্তানি পাইলট আয়েশা ফারুক।
আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। শৈশবে বাবাকে হারানো, আর্থিক সীমাবদ্ধতা, রক্ষণশীল সমাজের চোখরাঙানি—সব বাধা পেরিয়ে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজেকে। তার মা-ই ছিলেন সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা, যিনি মেয়েকে শিখিয়েছেন সাহসী আর আত্মনির্ভর হতে। আর সেই শিক্ষা নিয়েই আয়েশা পাকিস্তান বিমানবাহিনীর প্রথম যুদ্ধপ্রস্তুত নারী পাইলটে পরিণত হয়েছেন।
ফ্লাইট একাডেমিতে ভর্তি হওয়ার পর অনেকেই তার ওপর আস্থা রাখতে চাননি। কিন্তু আয়েশা নিজের শ্রম, অধ্যবসায় ও দক্ষতা দিয়ে প্রমাণ করেছেন—লিঙ্গ নয়, যোগ্যতাই আসল পরিচয়। তিনি প্রতিদিন ভোর ৪টায় দিন শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে প্রশিক্ষণ, বিশ্লেষণ ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত থাকেন।
বর্তমানে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন পাইলট। তবে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহৃত ফাইটার জেটে দক্ষতা অর্জনকারী নারীর সংখ্যা মাত্র পাঁচ। আর সরাসরি যুদ্ধবিমানে শত্রু বিমান ভূপাতিতকারী একমাত্র নারী পাইলট—আয়েশা ফারুক।
তার সাফল্য শুধু পাকিস্তানের সামরিক শক্তিরই প্রতীক নয়—বরং এটি নারী ক্ষমতায়নের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যুদ্ধের ময়দান traditionally পুরুষের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত হলেও আয়েশা প্রমাণ করে দিয়েছেন, সাহস, দক্ষতা ও দায়িত্ববোধে নারীও হতে পারেন দেশের প্রহরী।
তিনি শুধু একটি রাফাল ভূপাতিত করেননি, ভেঙে দিয়েছেন পুরুষতন্ত্রের অহংকার। তার এই সাফল্য গোটা দক্ষিণ এশিয়ায় নারীর সম্ভাবনার দরজা খুলে দিয়েছে।
নিজের এক পুরোনো সাক্ষাৎকারে আয়েশা বলেছিলেন—“আমি কোনো বিশেষ পরিচয়ে নিজেকে দেখিনি। আমাদের কাঁধে একই ভার, পায়ের নিচে একই মাটি।”
এই মাটির প্রতিরক্ষায় তার সেই প্রতিজ্ঞাই আজ বাস্তবতার রূপ পেয়েছে।
সূত্র: বিবিসি, ডন, জিও টিভি, গ্লোবাল ডিফেন্স কর্প জার্নাল, রয়টার্স।