খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
একদিনেই সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ২৩টি চাকরির পরীক্ষা রাখায় মারাত্মক বিপাকে পড়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আগামী শুক্রবার (২৩ মে) এসব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স (এনএসআই) নিয়োগ পরীক্ষাসহ একাধিক পরীক্ষা আবার পড়েছে একই সময়সূচিতে। এতে চাকরিপ্রার্থীদের মধ্যে চরম বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে চাকরিপ্রার্থীদের সংগঠন ‘পিএসসি সংস্কার আন্দোলন’। সংগঠনটি বলছে, এ ধরনের সিদ্ধান্ত চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে ‘তামাশা’ করার শামিল।
সোমবার (১৯ মে) বিকেলে সংগঠনের দপ্তর সংগঠক আওরঙ্গজেব স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘২৩ মে একযোগে ২৩টি চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিভিন্ন নিয়োগকারী সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান। এতে লক্ষাধিক চাকরিপ্রার্থী সংকটে পড়েছেন। কোন পরীক্ষায় অংশ নেবেন, কোনটি বেছে নেবেন—এই মানসিক চাপে তারা ভেঙে পড়েছেন।’
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘প্রতিটি পরীক্ষা চাকরিপ্রার্থীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু একই দিনে একাধিক পরীক্ষার আয়োজন চরম অবিচার ও দায়িত্বহীনতার পরিচয়। বিগত সরকার আমলে আমরা দেখেছি, ছত্রছায়ায় থাকা শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হতো, প্রকৃত মেধা মূল্যায়িত হতো না।’
পিএসসি সংস্কার আন্দোলনের দাবি, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর সরকার ন্যায্য আচরণের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে শিক্ষাব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানে একের পর এক অব্যবস্থাপনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে।’
তারা আরও জানায়, ‘পরীক্ষার সময় পুনর্বিন্যাস করে যেন প্রার্থীরা প্রতিটি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন, সেই দাবি আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাই। চাকরিপ্রার্থীদের সঙ্গে এমন অবিচার বরদাশত করা হবে না। এখন সময় হয়েছে সহানুভূতিশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রদর্শনের।’
সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ‘যদি পরিস্থিতির উন্নয়ন না হয়, তাহলে বড় ধরনের আন্দোলনের ডাক দেওয়া হবে।’
খবরওয়ালা/এন