খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
চলমান এইচএসসি পরীক্ষায় নির্ধারিত প্রশ্নপত্রের বদলে অন্য সেটে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনাগুলোকে ‘চরম অবহেলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডগুলোকে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩০ জুন) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইয়ানুর রহমানের সই করা এই ‘অতীব জরুরি’ আদেশে বলা হয়, চলমান এইচএসসি পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ট্যাগ অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের অসাবধানতায় কোথাও কোথাও নির্ধারিত সেটের পরিবর্তে অন্য সেটে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। এমন ঘটনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলার শামিল।
একইসাথে ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে, সে জন্য কেন্দ্র সচিবদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিতে সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, যারা দায়িত্বে অবহেলা করছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠিটি দেশের সব মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
মূলত, এইচএসসি, এসএসসি, বিসিএসসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় একটি বিষয়ের জন্য একাধিক প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়, যেগুলোকে প্রশ্নের ‘সেট’ বলা হয়। সাধারণত এই সেটগুলোকে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’, ‘ঘ’ বা ‘এ’, ‘বি’, ‘সি’, ‘ডি’ অথবা ‘পদ্মা’, ‘মেঘনা’, ‘দোয়েল’, ‘শাপলা’ ইত্যাদি নামে চিহ্নিত করা হয়। প্রতিটি সেটের প্রশ্ন প্রায় একই মান ও কাঠামোর হলেও এগুলোর বিন্যাস, প্রশ্নের ক্রম, বিকল্প উত্তর বা কিছু সংখ্যাগত মান আলাদা থাকে। প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করা, নিরপেক্ষ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা এবং মেধার প্রকৃত যাচাইসহ বিভিন্ন কারণে এই পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়ে থাকে৷
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকাল ১০টা থেকে সারাদেশে একযোগে শুরু হয়েছে ২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা। এতে মোট ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে অংশ নিচ্ছেন প্রায় ১২ লাখ ৫১ হাজার পরীক্ষার্থী।
খবরওয়ালা/এফএস