খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫
প্রতি মাসে গড়ে পাঁচ-ছয়শ টাকার বিদ্যুৎ বিল দিয়ে আসছিলেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার খলারটেক গ্রামের ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবদুল মান্নান (৫৫)। কিন্তু চলতি জুলাই মাসে তার বাড়ির নামে বিদ্যুৎ বিল এসেছে প্রায় ১১ লাখ টাকা! অস্বাভাবিক এই বিল দেখে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তিনি, এমনকি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন বলেও জানান।
গত রবিবার (২৭ জুলাই) দুপুরে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা তার বাড়িতে গিয়ে বিল বুঝিয়ে দেন। দেখা যায়, মিটার রিডিং অনুযায়ী বিলের পরিমাণ ১০ লাখ ৯২ হাজার ৮৬৪ টাকা।
আব্দুল মান্নানের ঘরে মাত্র তিন-চারটি এলইডি লাইট, দুটি ফ্যান এবং একটি ছোট ফ্রিজ রয়েছে। এসব সরঞ্জাম চালিয়ে সাধারণত মাসে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকার বিদ্যুৎ বিল আসে। এমন অস্বাভাবিক বিল কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগী মান্নান বলেন, “আমার স্ত্রী মর্জিনা বেগম প্রবাসে থাকেন। তার নামে একটি আবাসিক মিটার আছে। এখন যে বিল এসেছে, তা দেখে মাথা ঘুরে পড়ে গিয়েছি। আমরা গরিব মানুষ, এত বিশাল অঙ্কের বিল কল্পনাও করতে পারি না।”
বিষয়টি নিয়ে ময়মনসিংহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ (শ্রীপুর জোনাল অফিস) এর ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ারুল আলম জানান, “ডিজিট ইনপুটের সময় একটি ভুলের কারণে সফটওয়্যারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ বিল তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই বিল সংশোধন করে গ্রাহকের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। দায়ী কর্মকর্তাকে শোকজ করা হয়েছে এবং বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এই ঘটনার পর এলাকার সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ বিল সংক্রান্ত সঠিক তদারকির দাবি তুলেছেন।
খবরওয়ালা/টিএসএন